1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. gennieleija62@awer.blastzane.com : gennieleija6 :
  15. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  16. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  17. michaovdm8@mail.com : latmar :
  18. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  19. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  20. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  21. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  22. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  23. guscervantes@hidebox.org : ophelia62h :
  24. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  25. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  26. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  27. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  28. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  29. ulkahsamewheel@beach-drontistmeda.sa.com : ulkahsamewheel :
  30. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  31. karleengjkla@mail.com : weibad :
  32. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
সিরিয়াতে তুরস্ক ১১ জনকে হত্যা করেছেঃ গরীবের খলিফা করলেন টা কি?
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১১:৩৩ অপরাহ্ন

সিরিয়াতে তুরস্ক ১১ জনকে হত্যা করেছেঃ গরীবের খলিফা করলেন টা কি?

দিনরাত্রি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

সিরিয়াতে তুরস্ক ১১ জনকে হত্যা করেছেঃ গরীবের খলিফা করলেন টা কি

“ইউরেশীয়া ও ন্যাটোর চুক্তি ইসলামী ভৌগোলিক ক্ষেত্রে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বয়ে আনেনি বরং লড়াই ও গৃহযুদ্ধের কারণ হয়েছে। একারণে মুসলিম বিশ্বের জন্য জরুরী হল যে তারা নতুন এশিয়া আফ্রিকা ভৌগোলিক ক্ষেত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত জোটে প্রবেশ করবে। ”

— লেফটেন্যান্ট কর্নেল আদনান তানরিওয়ার্দী (حفظه الله) [ তুরস্কের গুপ্ত আন্তর্জাতিক ইসলামী সামরিক সংস্থা আদালাতী সাউনানলার এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান]

গত প্রায় এক দেড় বছর আমি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিষয় বা ‘জিওপলিটিক্যাল অ্যানালাইসিস’ নিয়ে পোস্ট করা বন্ধ করে দিয়েছি। কারণ এতে সময় অপচয় হয় প্রচুর। আমি ইতিহাস, শরীয়ত ও তাসাউফ চর্চার উপর এবং বিদয়াতী ও তাকফীরীদের বিরুদ্ধে পরিপূর্ণ মনোনিবেশ করতে চাই। কিন্তু সাম্প্রতিক দুইটি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক পোলারাইজেশন লক্ষ্য করে আমি একটা রাজনৈতিক পোস্ট দেওয়ার চিন্তা করলাম।

গত তিনদিন পূর্বে মিডিয়াতে একটা খবর প্রকাশ হয় যে তুরস্কের বিমান হামলায় সিরিয়াতে ১১ জন নিহত হয়েছে। খবরটা তুর্কি বিরোধী অক্ষের জন্য অত্যন্তঃ মুখরোচক একটি বিষয় হয়ে ওঠে। কারণ এতদিন মজলুম সিরিয়ার পাশে দাঁড়ানো তুর্কিই কি না সিরিয়ার মাটিতে হামলা করে সিরিয়ার মানুষ মারছে! কত মারাত্মক মোনাফিকিমুলক একটা বিষয়! তারা সেই খবরটা বেশ চাউর করে প্রচার করল যে, তুরস্ক সিরিয়াতে ১১ জন মানুষ হত্যা করেছে। খবরটা দেখে আমাদের বাঙালি মুসলমান তাদের ট্র্যাপে সহজেই পড়ল। এর একটা বিশেষ কারণ হল আমাদের বাঙালি মুসলমানদের ফাঁদে ফেলা বা পোলারাইজড করা অত্যন্তঃ সহজ বিষয়। কারণ আমরা কোনো বিষয় যাচাই বাছাই করি না। কেও একটু আবেগ মিশিয়ে দিলেই সেটা আমরা গ্রহণ করি। তাছাড়া ইন্টারনেটের খবরগুলোর হেডলাইনে কোথাও কাদের হত্যা করা হয়েছে সেটা লেখা নেই। তাই খবর শোনার সাথে সাথে যদি কেও সার্চ বারে তুর্কি সিরিয়া হামলা নিয়ে সার্চ দেয় সেক্ষেত্রে বোঝার উপায় নেই কাদের হত্যা করা হয়েছে, যতক্ষণ না পুরো খবরটা পড়া যায়।

মূলতঃ ঘটনাটি ছিল গত কয়েকদিন পূর্বে সিরিয়ার আইন আল আরব নামক এলাকায় অবস্থিত কুখ্যাত কমিউনিস্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পিকেকে এর একটি ঘাঁটি থেকে তুর্কি বাহিনীর উপর আক্রমণ চালানো হয়। এতে একজন তুর্কি সেনা শহীদ হন। এই আক্রমণের জবাবে উক্ত ঘাঁটিতে তুরস্ক স্থল ও বিমান হামলা চালায় যাতে অন্ততঃ ২২ জন (নিহতের প্রকৃত সংখ্যা হল ২২ জন, ১১জন নয়) নিহত হয়। ঘটনাক্রমে নিহতদের মধ্যে ২ জন আসাদ সেনা ছিল। বাকি ২০ জন পিকেকে সন্ত্রাসী। এই দুইজন আসাদ সেনার নিহত হওয়াটা আসাদ ও পিকেকে ঘনিষ্ঠতাকে আবার প্রমাণ করে দিয়েছে ফলে এটা তুর্কি সিরিয় সম্পর্ক একটি বাধা তৈরি করছে।

বাস্তব ঘটনাটা হল এটা। কিন্তু রাজনৈতিক ফলে কোথাকার ঘটনা কোথায় চলে গেল। যে তুরস্কের বিরুদ্ধে সিরীয় হত্যার অপবাদ দেওয়া হল এটা ঐ তুরস্ক যে সবথেকে বেশি সিরীয় শরণার্থী মজলুমদের আশ্রয় দিয়েছে। যখন তাদের পাশে দাড়ানোর মতো কেও ছিল না এই তুরস্কই তাদের আশ্রয় হয়ে ওঠে। শুধু তুর্কিতেই নয় সিরিয়ার অভ্যন্তরে ইন্টারিম সরকারের অধীনে থাকা এলাকার মধ্যে ঘরবাড়ি হারানো সিরিয়দের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেওয়া, তাদের জন্য স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ স্থাপন করে দেওয়া, সেখান থেকে উচ্চতর শিক্ষার জন্য তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া, পার্ক সড়ক প্রভৃতি নির্মাণ করা প্রভৃতির মাধ্যমে তুর্কি ও কাতার মিলে এলাকাটিকে নতুন করে সাজিয়ে তুলেছে।

আমি প্রায় ছয় সাত বছর ধরে তাদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ, সিরিয়াতে তুর্কির প্রত্যেকটি অভিযানের উপর নজর রেখেছি। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি তুরস্ক একজন নিরীহ সিরিয়ার নাগরিক তো দূরের কথা একজন মুজা/হিদ অথবা এমনকি যখন একিউ খারেজীদের উৎপাত চলছিল ঐসব খারেজীদের গায়ে তারা হাত দিয়েছে এটা কেও প্রমাণ করে দেখাতে পারবে না।বরং তানজীম থেকে বেরিয়ে যাবার পর সিরিয়ার হাইআত তাহরীর যখন ক্রমশঃ একা হয়ে পড়ছিল তখন তুর্কি একমাত্র দেশ হিসেবে তাদের কাছে টেনে নেয়। ২০১৭ সালে ৮ অক্টোবর তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধি দলকে হাইআতের উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে শুরু হয় তুর্কি-হাইআতের যৌথভাবে পথ চলা। ইদলিব ও হালবকে দায়েশ খারেজীদের থেকে মুক্ত করায় তুর্কি সমর্থিত TFSA ও হাইআতের যৌথ অভিযান ইতিহাস তৈরি করেছে। এরপর থেকে হাইআতের নেতাদের তুর্কি সফর, তুর্কি অফিসিয়ালদের সাথে সম্পর্ক এই সম্পর্কে নতুন পালক যোগ করে। ২০২০ সালে হাইআতের টপ পর্যায়ের নেতা আল মুহাইসিনী তুর্কি বাহিনীকে ‘উসমানীয়দের উত্তরসূরি’ বলে অভিহিত করেন (ভিডিও কমেন্টে), তার কিছুদিন পর লিবিয়া যুদ্ধ চলাকালীন হাইআতের মজলিসুশ শুরার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আবূ মারিয়া তুর্কির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। হাইআত ও তানজীমের মধ্যে বিরোধের মূল কারণ ছিল কি ছিল জানেন? মূল কারণ ছিল মুহাইসিনীর একটি বক্তব্য। যেখানে তিনি এরদোগানের প্রসংশা করেছিলেন। তিনি তাঁর শাইখ আত তারীফীর একটি কওল নকল করেছিলেন যেখানে, তারীফী এরদোগানকে ইউসুফ আলাইহিস সালাম এবং নাজ্জাশী দিয়ে উপমা দিয়ে বলেছিলেনঃ

“” أردوغـان رجـل مسلم مجتهـد ، غيـور عـلـى ديـن الله ، يسعى لإصلاح بلده ، ونصرة قضايا المسلمين ، وليست كل القرارات بيده ، وأن حاله قريبـة مـن حـال النجاشي ، في عدم قدرته على القيام بكامل التكليفات الشرعية ، ومع ذلك سماه رسول الله رجلا صالحا ، وكذلك الشأن في يوسف عليه السلام وتوليه مهاما اقتصادية تحت حكم عزيز مصر .. وإن مسألة تكفيره هي أقرب للغلو من الاجتهاد ” . انتهى كلامه (كلام الشيخ الوهابي الطريفي)

মুহাইসিনী বলেন যে, তাঁকে যখন সিরিয়ার যোদ্ধারা এরদোগান সম্পর্কে প্রশ্ন করত তিনি এই ফতোয়া তুলে ধরতেন। শুধু হাইআত নয়, সিরিয়ার হানাফী মাতুরিদী যোদ্ধাদল টিআইপিকে সহায়তা করে তুর্কিরা। এছাড়াও সিরিয়াতে ইন্টারিম গভার্নমেন্ট ও তার অধীনস্থ সিরীয় জাতীয় বাহিনী (SNA) সর্বপ্রকার সহায়তা তুর্কি করে। এদের হেড কোয়ার্টার তুরস্কে অবস্থিত। জ্বী আরবরা (কাতার জোট বাদে) সিরীয়দের যে ধোঁকা ও প্রতারণা করেছে তার ছিটেফোঁটাও তুর্কি করে নি। তুর্কি সালাফীদের ‘কচুকাটা’ করে নি যেমন শাইখরা বলে বেড়ান। বরং তাদের আপন ভাইরা যখন তাদের ধোঁকা দেয় তখন ‘মুশরিক সুফী’ তুর্কি তাদের আগলে রেখেছিল। তুর্কি একটা বড় সংখ্যক সিরীয় শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিয়েছে। এসব কারণে কয়েকবছর আগে তুরস্কের বিরোধী দলগুলো সিরিয়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে ‘গরীবের খলীফা’ এরদোগানকে কম হেনস্থা করে নি। তিনি তাদের হেনস্থা সহ্য করেছেন সিরীয়দের গায়ে হাত লাগাতে দেন নি। তবুও ১১ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করে গরীবের খলিফা বড় অপরাধ করে ফেলেছেন।

এটা গেল সিরিয়ার কথা। এবার আসা যাক ফিলিস্তিনের বিষয়ে। ইসরাইলের সাথে ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক নর্মাল করছে তুর্কি। কি ভয়ানক বিষয়! গরীবের খলিফা মুখে বড়বড় ভাষণ মারেন, তলে তলে ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে ভাবা যায়? কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হল যে, এতবড় একটা ঘটনা ঘটে গেল, কিন্তু ফিলিস্তিনের বিপ্লবী হামা/স তুরস্কের বিরুদ্ধে একটা বিবৃতিও দিল না! অথচঃ আরবরা যখনই তাদের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক নর্মালাইজেশনের কথা উচ্চারণ করেছিল তখনই হামাস বিবৃতি দিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। দেখছেন কান্ড! গণতান্ত্রিক হামাস করছেটা কি? তারা ইবনে তাইমিয়া মসজিদে হামলা করে তথাকথিত ‘মোজা/হেদদের’ হত্যা করতে পারে কিন্তু ইসরায়েলের গুপ্তচর তুর্কিকে বিরোধিতা করে না! তারা তো বাঙালিদের মতো তুরস্কের ‘ফিলিস্তীন নিয়ে গাদ্দারীর’ বিষয়টা বোঝে না। নইলে কি এই সঙ্গীন মূহূর্তে তারা তুরস্কের পক্ষ নিতে পারত? তারা কি পারত চুপ করে বসে থাকতে?

আচ্ছা তুর্কি আজ নয় ইসরাইলের সাথে ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক স্থাপন করে ইসরাইলের প্রতিষ্ঠার পরেই। এরদোগানের জামানায় এ সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয় নি। মাঝখানে ইসরাইলের ফিলিস্তীন আক্রমণ এবং ডিল অফ দ্য সেঞ্চুরিকে কেন্দ্র করে ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক তলানিতে যায় যা এখন মেরামতের কাজ চলছে। কিন্তু এতকিছুর পরেও হামাস তুরস্কের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেয় না? হামাসের আমির হঠাৎ হঠাৎ করে তুরস্কের সড়কগুলোতে উদয় হন, তুরস্কের প্রসংশা করেন, এগুলো নিয়ে প্রশ্ন হয় না মনে মনে? প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে তুরস্ক – ইসরাইল ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক ও আরব ইসরাইল ডিপ্লোম্যাটিক ও আত্মিক সম্পর্ক দুইটার চরিত্র নিয়ে বুঝতে হবে। তুর্কি ইসরাইল ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক নাস্তিকদের জামানায় স্থাপিত হয়। এরদোগান ক্ষমতায় এলেও সেই সম্পর্ক তিনি বিচ্ছিন্ন করতে সক্ষম হন নি। এখনো সেই পরিস্থিতি আসে নি। কিন্তু এই সম্পর্ক রেখেও তুর্কি ফিলিস্তীন ও হামাসকে সর্বোতো সহায়তা করে যাচ্ছে। তুর্কি ইসরাইল ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্কে ‘ফিলিস্তীনের সাথে গাদ্দারীর’ বিষয়টা পাবেন না। গত দুইবছর আগে একটি খবর প্রকাশিত হয় যে, হামা/সের গোয়েন্দা হেডকোয়ার্টার তুরস্কে অবস্থিত সেখান থেকে তারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাচ্ছে (লিঙ্ক কমেন্টে)। হামাসে বহু অফিস রয়েছে তুর্কিতে। তাদের কর্মচারীদের অনেকে তুরস্কে থাকেন। এছাড়াও ফিলিস্তীনের গাজাতে তুর্কি তার তৎপরতা জারী রেখেছে। এছাড়াও তুরস্ক বিভিন্ন সেমিনার, কনফারেন্স করে ফিলিস্তীন নিয়ে আন্তর্জাতিক সচেতনতা গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মগুলোতে ফিলিস্তীন নিয়ে আওয়াজ তুলছে। এরদোগানের ফিলিস্তীন নিয়ে আওয়াজ তোলাটা নিতান্তই ফাঁপা নয়। একটু খোঁজ নিয়ে দেখলেই সেটা বুঝবেন।

এরদোগান সৌদির মতো গোপনে ফিলিস্তীনকে ইহুদিদের কাছে বিক্রি করেন নি, বিপ্লব দমিয়ে ফেলতে পশ্চিমা ও ইসরাইল কে সহায়তা করেন নি, মোসাদের সাথে মিলে বিপ্লবী হত্যার খেলায় মেতে ওঠেন নি। তুরস্কের কারাগারগুলো সৌদির মতো হামাস নেতা দ্বারা পরিপূর্ণ করা হয় নি। পার্থক্যটা এখানেই।

আমাদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যাচাই বাছাই করতে হবে। নইলে পশ্চিমা ও তাদের আরবীয় দালালদের ফাঁদে পড়ে তাদের জুরমে শামিল হয়ে যাবেন নিজের অজান্তেই। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক বোঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।


ইয়াসিন আরাফাত

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

দিন রাত্রি’তে বিজ্ঞাপন দিন

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews