1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  5. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  6. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  7. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  8. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  9. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  10. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  11. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  12. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  13. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  14. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
খেলাফত এবং লুজান চুক্তি নিয়ে যতো জল্পনা-কল্পনা
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

খেলাফত এবং লুজান চুক্তি নিয়ে যতো জল্পনা-কল্পনা

সাইফুল ইসলাম রুবাইয়াৎ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১
  • ১৭৫৪ বার পড়া হয়েছে
Lujan

শত বছর আগে (২৪শে জুলাই ১০২৩) সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে পশ্চিমাদের সাথে আধুনিক তুরস্কের স্বাক্ষরিত লুজান চুক্তি নিয়ে শুধু তুরস্কেই না, বাংলাদেশেও চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। কেউ কেউ লিখছেন – ২০২৩ সালে শেষ হচ্ছে লুজান চুক্তি। আর তখনই তুরস্কে ফিরে আসবে খিলাফত। কোনো কোনো পত্রিকা আবার লিখছে – তুরস্ক তখন হবে মুসলিম পরাশক্তি আর দখল করে নিবে সিরিয়া ও ইরাকের কিছু শহর। কেউবা বলছেন – এ চুক্তির কারণে তুরস্ক তার খনিজ সম্পদ তুলতে পারছে না। আসুন, দেখি এগুলোর সত্যাসত্য। তার আগে ইসলামের বড় বড় খেলাফতের প্রাসঙ্গিক সারাংশ একটু রোমন্থন করে নিই –

খোলাফায়ে রাশেদীনের (রিদ্বওয়ানুল্লাহিতা’লা ’আলাইহিম) রেখে যাওয়া ইসলামী খেলাফতের (৬৩২-৬৬১ খৃঃ) পরিধি ছিলো ২৫ লাখ বর্গমাইল – যা অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে একটু ছোট হলেও গোটা দক্ষিণ এশিয়া (আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান ও মালদ্বীপ), মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও বড়!

এরপর উমাইয়ারা (৬৬১-৭৫০ খৃঃ) খেলাফতের পরিধি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ লাখ বর্গমাইলে উন্নীত করেন – যা বর্তমান রাশিয়ার চেয়ে ছোট হলেও অ্যান্টার্টিকা মহাদেশের চেয়েও বড়!

আব্বাসীয়রা (৭৫০-১২৫৮ খৃঃ) উমাইয়াদের রেখে যাওয়া বিশাল খেলাফত রক্ষা করতে ব্যর্থ হন। ফলে, ধীরে ধীরে তা ছোট হতে থাকে আর একাধিক খেলাফতের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া, তাঁরা আব্দালুসিয়া তক যেতে পারেননি, অর্থাৎ ওখানকার উমাইয়াদের উৎখাত করতে পারেননি।

সেলজুক সালতানাতের (১০৩৭-১১৯৪ খৃঃ) পরিধি ছিলো ১৫ লাখ বর্গমাইল – যা বর্তমান ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান ও মালদ্বীপের সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও বড়!

উছমানীয় সালতানাতের (১২৯৯-১৯২২ খৃঃ) পরিধি ছিলো – ১৪৫১ সালে ২ লাখ ৭০ বর্গমাইল – যা মিয়ানমারের চেয়ে বড়; ১৫২১ সালে অনেক বেড়ে ১৩ লাখ বর্গমাইল – যা বর্তমান ভারতের চেয়েও বড়; ১৬৮৩ সালে আরো বেড়ে ২০ লাখ বর্গমাইল – যা প্রায় দক্ষিণ এশিয়ার সমান; কিন্তু ১৮৪৪ সালে প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়ে ১১ লাখ ৩৪ হাজার ৫ শ’ ৯ বর্গমাইল – যা আর্জেন্টিনার চেয়ে একটু বড় এবং ১৯১৪ সালে, অর্থাৎ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে আরো কমে গিয়ে মাত্র ৬ লাখ ৯০ হাজার বর্গমাইলে – যা লিবিয়ার চেয়ে একটু বড়।

লুজান চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা, অর্থাৎ আধুনিক তুরস্কের জন্ম এ চুক্তির মাধ্যমে। রাষ্ট্রটির আয়তন মাত্র ৩ লাখ ২৫ হাজার ৩৫ বর্গমাইল – যা মোজাম্বিকের চেয়ে ছোট এবং চিলির চেয়ে বড়।

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ শেষের ক-বছর পরেও ইউরোপের কিছু কিছু জায়গায় তখনও সংঘাত চলছে। বিশাল উছমানীয় সালতানাত তখন ভেঙে খান খান। পশ্চিমাদের ধর্মহীনতা (সেকুলারিজম) ও সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের (ন্যাশনালিজম) উসকানিতে ও স্রোতের ধাক্কায় ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় উছমানীয়দের অধীন থেকে বেড়িয়ে গঠিত হয়েছে প্রায় ৪৫ টির মতো সেকুলার নতুন রাষ্ট্র। ইস্তান্বুলে উছমানীয় শেষ সুলতান ওয়াহিদুদ্দীন (মেহমেদ ৬) কার্যত নিষ্ক্রিয় ও ক্ষমতাহীন। মিত্রশক্তিদের হাত থেকে শেষ ভূমিটুকু রক্ষায় মরণপণ লড়ছেন কামাল পাশার নেতৃত্বে একদল তুর্কি সেনা। পরাশক্তির বিরুদ্ধে কয়েকটি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতাও পেয়েছেন তাঁরা। গ্রীকদেরকেও তাড়িয়ে দিয়েছেন নিজেদের ভূখণ্ড থেকে।

২৮শে অক্টোবর ১৯২২ সাল। মিত্রশক্তির তরফ থেকে তুর্কিদের কাছে দাওয়াত আসে যুদ্ধ থামিয়ে একটি শান্তি চুক্তির আলোচনায় বসার। তাতে দাওয়াত দেয়া হয় আঙ্কারায় কামাল পাশার নেতৃত্বাধীন তুর্কি সরকারকে এবং ইস্তাম্বুলে নিভু নিভু সালতানাতের সুলতানকেও। কিন্তু এ দাওয়াত পাওয়ার তিন দিনের মাথায় কামাল পাশা সালতানাতকে বিলুপ্ত ঘোষণা করলে, শান্তি চুক্তির বৈঠকে শুধুমাত্র তার নেতৃত্বাধীন সরকারের অংশ নেয়ার পথ খোলা থাকে; সুলতান আউট।

শান্তি আলোচনা ২০শে নভেম্বর ১৯২২-তে শুরু হয়ে ৮ মাস ধরে চলে দর কষাকষি। একদিকে কামালগং; অন্যদিকে বৃটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রীস, রোমানিয়া ও যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা। ২৪শে জুলাই ১৯২৩-তে সই হয় লুজান চুক্তি – যা মোতাবেক:-

০১। গ্রীসের সাথে সীমানা নির্ধারিত হয়।

০২। তুরস্কে বসবাসরত অমুসলিমদের সংখ্যালঘু হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে তুরস্কের নাগরিকত্ব দেয়া হয়।

০৩। তুরস্কে বসবাসরত গ্রীক নাগরিকদেরকে গ্রীসে ফেরত নেয়া এবং গ্রীসে বসবাসরত তুর্কি নাগরিকদেরকে তুরস্কে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত হয়।

০৪। বৃটেন, ফ্রান্স ও ইতালি তাদের অধিকৃত তুর্কি ভূখণ্ড ছেড়ে দেয়।

০৫। উছমানীয় সালতানাতের ঋণ শুধু তুরস্কের উপর না চাপিয়ে, বরং উছমানীয় থেকে জন্ম নেয়া নতুন দেশগুলোর মাঝে বণ্টিত হয়।

০৬। ৪০০ বছর ধরে চলে আসা তুরস্ক-ইরান সীমান্ত অপরিবর্তিত থাকে।

০৭। ২০শে অক্টোবর ১৯২১’র ফ্রান্স-তুরস্ক চুক্তি মোতাবেক, তুরস্কের সাথে সিরিয়ার সীমানা নির্ধারিত হয়।

০৮। তুরস্ক-ইরাক সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বৃটেনের সাথে আলোচনা হয় মাত্র। কিন্তু তুরস্ক ইরাকের মসুল শহরের ওপর থেকে তার অধিকার ত্যাগ না করায় লুজানে কোনো সমাধান হয়নি। তিন বছর পর, ১৯২৬ সালে বৃটেন, তুরস্ক ও ইরাকের মাঝে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির মাধ্যমে তুরস্ক মসুল শহরের ওপর থেকে তার অধিকার ছেড়ে দেয়।

০৯। উছমানীয়রা ১৯১২ সালে ইতালি এবং ১৯১৩ সালে গ্রীসের হওয়া চুক্তিতে এজিয়ান সাগরের দ্বীপগুলোকে এ দু দেশের কাছে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। লুজান চুক্তির মাধ্যমে তুরস্ক আগের এ দু চুক্তির শর্তগুলোকে মেনে নেয়। এতে তুরস্কের ভূখণ্ড থেকে মাত্র তিন মাইলের ভেতরে যে দ্বীপগুলো রয়েছে, শুধু সেগুলো তুরস্ক পায়। বাকি দ্বীপগুলো গ্রীসের হাতে চলে যায়। ফলে, এজিয়ান সাগরে গ্রীসের মূল ভূখণ্ড থেকে শ’ শ’ মাইল দূরে – কিন্তু তুরস্কের খুবই কাছের প্রায় সবগুলো দ্বীপই গ্রীস পেয়ে যায়!

১০। তুরস্ক সাইপ্রাসের ওপর থেকে তার সব কর্তৃত্ব ছেড়ে দিয়ে ওখানে বৃটেনের কর্তৃত্ব মেনে নেয়। ১৯৬০ সালে সাইপ্রাস বৃটেন থেকে স্বাধীনতা পায়। পরবর্তীকালে ওখানকার তুর্কিদের উপরে জুলুম বেড়ে গেলে ১৯৭৪ সালে তুরস্ক ঐ তুর্কি নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্যে সামরিক অভিযান চালিয়ে সাইপ্রাসের উত্তরাংশ দখল করে নেয় – যে এলাকাটির ৯৯% অধিবাসী মুসলিম। ওটিকে তুর্কি সাইপ্রাস বলা হয়।

১১। লুজানে সবচেয়ে আলোচিত ছিলো – বসফরাস ও দার্দানেলেস বা চানাক্কালে প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়টি। কোনো জাহাজকে ভূমধ্যসাগর থেকে কৃষ্ণ সাগরে যেতে হলে প্রথমে দার্দানেলেস প্রণালী দিয়ে মর্মর সাগরে – তারপর সেখান থেকে বসফরাস প্রণালী দিয়ে যেতে হয়। লুজানে এ দু প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে একটি আন্তর্জাতিক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয় – যাতে তুরস্ক থাকলেও তার হাতে কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না। এছাড়াও এ দু প্রণালীর তীরবর্তী অঞ্চলকে অস্ত্রমুক্ত রাখতে হবে; এমনকি এর আশেপাশে কোনো অস্ত্রধারী বাহিনীও রাখতে পারবে না তুরস্ক এবং তুরস্ক এ প্রণালী দিয়ে অতিবাহিত কোনো জাহাজ থেকে এক কানাকরি টোলও আদায় করতে পারবে না – সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ২০শে জুলাই ১৯৩৬ সালে সুইজারল্যান্ডের মন্ট্রেক্স শহরে তুরস্ক, বৃটেন, ফ্রান্স, বুলগেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, গ্রীস, জাপান, রোমানিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়ার মাঝে এ প্রণালী দুটি নিয়ে আরেকটি চুক্তি হয়। তাতে প্রণালীগুলোর কর্তৃত্ব পুরোপুরি তুরস্কের হাতে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু তুরস্ক এগুলো দিয়ে অতিবাহিত কোনো জাহাজ থেকে টোল নিতে পারবে না, বরং শুধু মেইন্টেন্সের জন্যে নামমাত্র কিছু টাকা নিতে পারবে – সিদ্ধান্ত হয়। চুক্তিটি প্রতি বিশ বছর পরে নবায়ন হয়। সবশেষে নবায়ন হয়েছে ২০১৬ সালে, অর্থাৎ এ চুক্তিটি ২০৩৬ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

লুজান চুক্তি নিয়ে যতোসব ভ্রান্ত ধারণা –

১। এ চুক্তি নাকি ১০০ বছর পরে শেষ হয়ে যাবে!

এ চুক্তিপত্রে এ মর্মে কোনো ধারা নেই। এমনকি গোপন কোনো ধারাও নেই। তুরস্কের সব বিখ্যাত ইতিহাসবিদও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, লুজান চুক্তি ১০০ বছর পরে শেষ হওয়া নিয়ে কোথাও কিছু লেখা নেই। এসবই মনগড়া ও বানোয়াট ধারণা তথা গুজব।

২। এ চুক্তির কারণে নাকি তুর্কিরা তাদের খনিজ সম্পদ তুলতে পারছেন না!

চুক্তিপত্রের কোথাও তুর্কিদের খনিজ সম্পদ নিয়ে কোনো কিছুই লেখা নেই। আর তাদের খনিজ সম্পদ তোলার ওপরেও আন্তর্জাতিক কোনো নিষেধাজ্ঞাও নেই। তারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খনিজ সম্পদ তথা সোনা, তেল, গ্যাস, বোরন ও কয়লা তুলছেন।

৩। এ চুক্তির কারণে নাকি তুর্কিরা বসফরাস ও দার্দানেলেস প্রণালীর টোল আদায় করতে পারছেন না।

এ চুক্তির ক-বছর পরে মন্ট্রেক্স চুক্তি নামে আরেকটি চুক্তি হয় – যেটির কারণে টোল আদায় করতে পারছে না তুরস্ক। ঐ চুক্তিটিও অন্তত ২০৩৬ সাল পর্যন্ত বলবত থাকবে। সুতরাং ততোদিন পর্যন্ত টোল আদায়ের বিষয়টির কোনো সুরহা হবে না – যদি না তুরস্ক তার কূটনীতি বা সামরিক শক্তি দিয়ে কিছু করতে পারে।

৪। এ চুক্তি শেষ হলে নাকি তুরস্ক সিরিয়ার রাক্কা ও আলেপ্পো শহর দখল করে নেবে!

কোনো পক্ষ চুক্তিটি বাতিল না করলে, যেহেতু চুক্তি শেষ হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই – সেহেতু সিরিয়ার এ শহরগুলো দখলেরও কোনো বিষয় নেই। তবে তুরস্ক ইতিমধ্যেই সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির অনেকখানি অঞ্চল তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।

৫। এ চুক্তি শেষ হলে নাকি ইরাকের মসুল শহর তুরস্কের দখলে চলে যাবে!

না। তুরস্কের আপাতত মসুল শহর দখলের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলে ঘাঁটি গেড়ে থাকা পিকেকে সন্ত্রাসী সংগঠনটির বিরুদ্ধে তুরস্ক কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন সময় সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে। কিছুদিন আগে সে অভিযান আরো ব্যাপকভাবে শুরু করছে। কিন্তু তা মসুল শহর থেকে অনেক দূরে। আর এ বিষয় নিয়ে ইরাক সরকারের সঙ্গেও ভালো যোগাযোগ রয়েছে আঙ্কারার।

৬। ২০২৩ সালে নাকি তুরস্কে খিলাফত ফিরে আসবে!

এ বিষয়টিও আসলে গুজবই। আর তা তুরস্কবিদ্বেষীদের পশ্চিমা বিশ্বে এবং সেক্যুলারদের মাঝে ভীতি সৃষ্টির জন্যে রটিত কিছু কাল্পনিক থিওরি মাত্র। যে খিলাফত চলে গেছে, তা আর সহজে ফিরবে বলে মনে হয় না। এমনকি, এ নিয়ে তুরস্কের ক্ষমতাসীনদের মাঝেও কোনো ভাবান্তর নেই।

৭। আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো এমনিতেই ১০০ বছর পরে শেষ হয়ে যায়। এটি নাকি একটি প্রচলিত রীতি!

একথাটিও সঠিক না। কেননা, বিশ্বে এখনো অনেক আন্তর্জাতিক চুক্তি রয়েছে – যেগুলো একশ বছরেরও বেশি সময় ধরে বলবৎ আছে। সুতরাং আমরা বলতে পারি, লুজান চুক্তি ২০২৩ সালে শেষ হচ্ছে না। আর চুক্তিটি নিয়ে রটিত অনেক কথাই সঠিক না। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে,লুজান চুক্তিটি একটি শান্তি চুক্তি আর শান্তি চুক্তি শেষ হয় কেবল যুদ্ধ শুরু হলে।



সূত্র: মূল – সারোয়ার আলম, চিফ রিপোর্টার, আনাদোলু এজেন্সি। সম্পাদনা: রুবাইয়াৎ।

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews