1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. gennieleija62@awer.blastzane.com : gennieleija6 :
  15. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  16. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  17. michaovdm8@mail.com : latmar :
  18. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  19. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  20. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  21. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  22. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  23. guscervantes@hidebox.org : ophelia62h :
  24. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  25. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  26. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  27. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  28. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  29. ulkahsamewheel@beach-drontistmeda.sa.com : ulkahsamewheel :
  30. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  31. karleengjkla@mail.com : weibad :
  32. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
মূর্তি বনাম ভাস্কর্য বিতণ্ডা: ইতিহাস ও বাস্তবতা
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য বিতণ্ডা: ইতিহাস ও বাস্তবতা

আবছার তৈয়বী
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৩৪৪ বার পড়া হয়েছে
Sculpture-ভাস্কর্য-dinratri.net

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য বিতণ্ডা: ইতিহাস ও বাস্তবতা, জাতির সাথে মশকরা এবং সরকার ও জনগণের দায়

আমাদের দেশে সমস্যার অন্ত নেই। অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের শেষ নেই। সামাজিক ও আর্থিক অসঙ্গতির সীমা-পরিসীমা নেই। রোদ, বৃষ্টি, শীত এবং গরমেও কতো লোক রাস্তায়, ফুটপাতে, রেল স্টেশন ও বাস স্টেশনে শোয়- আপনি নিজ চোখে একবার দেখে আসুন। দু’মুঠো অন্নের জন্য আমাদের নারীরা নিজেদের ইজ্জত বিকোয়। ধর্ষন ও বলাৎকার গোঁদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো অসহ্য যন্ত্রনাদায়ক। মদের বারগুলোতে উপচেপড়া ভিড়। অভুক্ত মানুষ ডাস্টবিনে কুকুরের সাথে খাবার তালাশে মত্ত। গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই, পর্যাপ্ত যানবাহন নেই। মানুষের ঘরে খাবার নেই। মানুষের যথোপযুক্ত ও পর্যাপ্ত কাজ নেই। এভাবে নেই বলতে অনেক কিছুই নেই। পক্ষান্তরে সুদ আছে, ঘুষ আছে, দুর্নীতি আছে, চোরাকারবারী আছে, মাদকের ব্যবসা আছে, জোর-জুলুম ও সন্ত্রাস আছে। এসবের প্রতিটি বিষয়ে আইনসঙ্গত প্রতিবাদ করা যায়, লেখা যায়, মিছিল-মিটিং-সভাবেশ করা যায়, আলোচনা সভা ও সেমিনার-সিম্পোজিয়াম করা যায়। কিন্তু সব কিছু ছেড়ে জাতি মেতেছে মূর্তির নিয়ে! এই জাতির কী যে হলো?!!!

ওহ্, এটা তো মূর্তি নয়- এটার নাম ‘ভাস্কর্য’! কিন্তু আপনি ভেবে দেখুন- মূলতঃ মূর্তি ও ভাস্কর্য একই বস্তুর দুই নাম। যেসব বস্তু দিয়ে মূর্তি বানায়- সে সব বস্তু দিয়েই ভাস্কর্য বানায়। ‘ভাস্কর্য’ একটি শিল্পিত পোষাকি নামমাত্র। সিমেন্ট, লোহা, পাথর, কংক্রিট, বালি, জিপসাম তথা উভয়ের র’ মেটেরিয়াল একই। বানানোর পদ্ধতিও একই। বানানোর পরেও আদল একই। যৎ সামন্য পার্থক্য যা আছে- সেটা ব্যবহার বিধিতে। সাধারণভাবে ভাস্কর্যের মূর্তি আর পূজার মূর্তির মধ্যে কোনই পার্থক্য নেই। মূর্তি মানে মূর্তিই। চাই সেটার নাম ভাষ্কর্য দেন, বা শিল্পকর্ম দেন, বা অন্যকিছু। পূজিত হোক বা না হোক- মূর্তি বানানোটাই ইসলামে বৈধ নয়। ইসলাম ও মূর্তি পরস্পর বিরোধী। সবচেয়ে বড়ো কথা- ‘মূর্তি এসেছে জনমানুষের মন থেকে আল্লাহকে ভুলিয়ে দিতে, আর ইসলাম এসেছে জনমানুষের মন থেকে মূর্তিকে ভুলিয়ে দিতে’। সেই মূর্তিটা পুজিত হলে শিরিক আর সম্মানিত হলে হারাম। এগুলো ধর্মের কথা। কিন্তু আমাদের সুশীল সমাজ, মিডিয়া, মূর্তির মায়ায় উৎসর্গিত জনগণ, ভাস্কর্যের মায়ায় পড়া লোকজন এসব ধর্ম কথা শোনেন না এবং শুনতে চান না। মানার তো প্রশ্নই আসে না। তারা প্রয়োজনে অন্যের ঘাড় মটকে দেবেন, জেল দেবেন, লাঠিপেটা করবেন, কিন্তু ভাস্কর্য নামক মূর্তি অবশ্যই বানাবেন। দেশে এতো এতো সমস্যা থাকতে তা সমাধান না করে কিংবা অন্য উপায়ে স্মৃতিসৌধ কিংবা স্মরণীয় রাখার হাজারও পন্থা থাকতে তা অবলম্বন না করে ভাস্কর্য তথা মূর্তির পেছনে দৌঁড়াবেন কেন? আপনি কি ভেবেছেন- তারা কেন এসব করছেন? এর অনেক কারণ আছে। তবে নির্দোষ কারণটি হলো- ‘মায়ায় পড়ে’।

এ মায়া বড় মায়া। এ মায়া তাদের বোধ-বিশ্বাস থেকে উৎসারিত মায়া। এ মায়া তাদের হৃদয়ে লালিত মায়া। সুতরাং সহজে এ মায়া যাবে না। এ মায়া কাটাতে চাই- এর চেয়ে বেশি জোরালো, এর চেয়েও বেশি আবেদনময়ী, এর চেয়ে বেশি ফলপ্রসু মায়া। সে মায়া হতে পারে- দেশ ও জাতির মায়া। সে মায়া হতে পারে- দীনের প্রতি মায়া। সে মায়া হতে পারে- আল্লাহ-রাসূলের (দরুদ) প্রতি মায়া। কিন্তু তাদেরকে যারা এ মায়া শেখাবেন- তারা বড়ই উদ্যত ও অহঙ্কারী। তারা ওদের কাছে যায় না। ওদেরকেও তাদের কাছে আসতে দেয় না। মূর্তি সংস্কৃতিকে যারা দেশ থেকে নির্মূল করতে চান- তারা অনেকটা জোর করে করতে চান। তারা ভাবেন না- মুসলমানের ছেলে-মেয়েরা কেন মূর্তি তথা ভাস্কর্য প্রতিস্থাপনের জন্য আন্দোলন করবে বা লেখালেখি করবে কিংবা হুমকি দেবে? নিশ্চয়ই কোন না কোন কারণ আছে। মূর্তি বিরোধী উদ্যত লাঠিয়ালরা এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী কাজ করেছে। স্বাধীনতার চেতনাকে দলিত করেছেন এবং এখনো করছেন। যে সব ধর্মপ্রাণ মুসলমান স্বাধীনতার স্বপক্ষে ছিলেন, তারা আছেন- ওরস, মাজার ও মাহফিল নিয়ে। ফলে একদিকে মূর্তির মায়াদার লোকের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে মূর্তির বিরোধিতা করতে গিয়ে জনমানুষ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও দেশবিরোধী লোকের দিকে ঝুঁকছে।

সবাইকে একথা মনে রাখতে হবে- “মূর্তি নির্মাণ ও মূর্তিপূজা কোন দেশীয় সংষ্কৃতি নয়। এটি একটি ধর্মীয় সংস্কৃতি”। আমি গবেষণা করে দেখেছি- ইবলিশ শয়তানের ফাঁদে পড়ে হযরত নূহ (আ.) এর সময়ে সর্বপ্রথম মূর্তিপূজা শুরু হয়। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম নির্মিত হয়- হযরত নূহের (আ.) মূর্তি। এবং তা এসেছে তথাকথিত ভাস্কর্য হিসেবে। হযরত নূহ (আ.)’র স্মরণে সেই ভাস্কর্য নির্মিত হয়। প্রথমে কিন্তু সেই ভাস্কর্যের পূজা করা হতো না। হযরত নূহের অর্বতমানে তাঁর কওমের লোকেরা এক আল্লাহর অবতার হিসেবে এই ভাস্কর্য তথা মূর্তির পূজা শুরু করে। এরপর কালে কালে, যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও মানুষের মাঝে মূর্তির প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে। তারা মূর্তির মাধ্যমে স্রষ্টাকে পাওয়ার শর্টকার্টপথ তালাশ করে নেয়। মুসলিম জাতির পিতা আবুল আম্বিয়া হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর আবির্ভাবের পূর্বে সারা পৃথিবীতে ব্যাপক ভাবে মূর্তিপূজা শুরু হয়। খোদ হযরত ইব্রাহীম (আ.)’র চাচা (পিতা নয়) ‘আজর’ যে মূর্তির কারিগর ছিলেন- সে কথা কোরআনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। তবে, কোরআনে ‘আব’ শব্দটি থাকায় বাঙালি লেখকরা আজরকেই হযরত ইব্রাহীমের ‘পিতা’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। কিন্তু ‘আব’ শব্দটি একটি ‘আম’ বা সাধারণ শব্দ- যা পিতা, চাচা, দাদা, দাদার বাবা, দাদার দাদা ইত্যাদি পিতৃস্থানীয় ব্যক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। এ ক্ষেত্রে ‘ওয়ালিদ’ শব্দটি একটি ‘খাস’ বা নিদিষ্ট অর্থবাচক শব্দ- যা ‘জন্মদাতা পিতা’ ছাড়া আর কারো জন্য ব্যবহৃত হয় না। হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর পিতার নাম ছিলা- ‘তারীখ বা তারীহ’। স্মর্তব্য যে, ইসলামের মৌলিক আকিদার সাথে যেটি সংশ্লিষ্ট তা হলো- “কোন নবী-রাসূলই (আ.) মূর্তিপূজক ছিলেন না এবং তাঁদের কোন পিতৃ-মাতৃ পুরুষ-নারী যাদের মাধ্যমে নবীরা জন্ম নিয়েছেন- তাঁদের কেউই মূর্তিপূজক ছিলেন না। হযরত মূসা (আ.) যখন তুর পাহাড়ে গেলেন- তখন ‘সামেরী’ নামক এক বুদ্ধিমান মানুষের কুপ্ররোচনায় তাঁঁর সম্প্রদায় ‘গো-বাছুর’ পূজায় নিমগ্ন হয়। হযরত ঈসা (আ.)কে তাঁরই ঘরে অবরোধের পর যখন আল্লাহ তাঁকে ৪র্থ আসমানে উঠিয়ে নিলেন- তখন তাঁকে ধরতে যাওয়া এক লোকটিকেই আল্লাহ হযরত ঈসার সূরতে ‘মুসাখখার’ করে দেন। ইহুদীরা তাকে ধরে এনে শরীরে পেরেক মেরে এবং শূলিতে চড়িয়ে হত্যা করে। এর পরে খৃষ্টানরা হযরত ঈসা ও তাঁর মা হযরত মরিয়ম (আ.) এর মূর্তি বানিয়ে যথাক্রমে ‘সৃষ্টিকর্তার পূত্র’ ও ‘সৃষ্টিকর্তার স্ত্রী’ হিসেবে পূজা-অর্চনা শুরু করে।

আল্লাহর রাসূল (দরুদ) যখন আবির্ভূত হলেন, তখন সমগ্র আরব জাহানে ব্যাপকভাবে মূর্তিপূজার প্রচলন ছিল। আরবের গোত্রে গোত্রে আলাদা আলাদা মূর্তি ছিল। লাত, মানাত, উযযা, ইয়াগুছ, হুবল ইত্যাদি ছিল তাদের প্রধান প্রধান মূর্তি। খোদ কা’বা ঘরের ভেতরেই ছিল ৩৬০ মূর্তি। একটির চেয়ে একটির চেহারা ভয়ঙ্কর ও বিদঘুটে! আরবরা যে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার পূর্বেই মূর্তির সাথে ভুং-ভাং পরামর্শ করতো। পুরোহিতের মাধ্যমে তাদের মঙ্গল-অমঙ্গলের ব্যাখ্যা নিতো। পুরোহিতরা প্রসাদ বিতরণ করতো আর মুর্খ আরবরা তা খোদার পক্ষ থেকে ‘তবরুক’ মনে করে আগ্রহ ও তাজিমের সাথে খেতো। আরবদের নেশা ছিল তিনটি ১. মূর্তিপূজা ২. মদপান এবং ৩. ব্যভিচার তথা নারী নিয়ে ফূর্তি। এই তিনটিই ইসলাম ধর্মে চরমভাবে নিষিদ্ধ। স্বয়ং আল্লাহর রাসূল (দরুদ) বলেছেন- “বুইছতু লিহাদমিল আসনাম” মানে ‘আমাকে মূর্তি ধ্বংস করার জন্য পাঠানো হয়েছে’। আরবদের অন্তরে মূর্তির প্রতি এতো প্রেম ছিল যে, তারা স্বয়ং নবীকে পর্যন্ত প্রস্তাব করেছেন- “আপনি একদিন আমাদের মুর্তির পূজা করুন, আমরা একদিন আপনার খোদার ইবাদাত করবো।” তারপরও আপনি আমাদের খোদার বিরুদ্ধে কিছু বলবেন না। প্রিয়নবী (দরুদ) সেই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন- “তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম আর আমার জন্য আমার দীন”। তারপরও প্রিয়নবী (দরুদ) যখন মক্কার কাফিরদের মাঝে দীনের দাওয়াত অব্যাহত রাখেন- তখনই তারা নবীর (দরুদ) ওপর চড়াও হয়। রহমতের নবী, করুণার ছবি তাদের জন্য বদদোয়ার বদলে দোয়া প্রার্থনা করে বলেন- “আল্লাহুমা ইহদি ক্বওমী- ফাইন্নাহুম লা ইয়া’লামূন’। (হে আল্লাহ! আমার সম্প্রদায়কে হেদায়াত করো- তারা মূর্খ।” আর মূর্খ বলেই তারা এক আল্লাহর অরাধনা ছেড়ে নিজেদের হাতের বানানো মূর্তির অরাধনা করছে। মনে রাখুন- প্রিয়নবী (দরুদ) এর সাথে কারো কোন ধরণের দুষমনি ছিলো না। শুধু মূর্তিপূজা ছেড়ে এক আল্লাহর দিকে আহ্বান করাই ছিল তাদের দৃষ্টিতে নবীর (দরুদ) দোষ। আর এ জন্য প্রিয়নবী (দরুদ) কে ২৭ বা ২৯টি চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ মোকাবিলা করতে হয়েছে। বিদায় হজ্বের সময় আল্লাহর রাসূল (দরুদ) নিজ হাতে একটি একটি করে কা’বার ৩৬০ মূর্তি ধ্বংস করেছেন! দীনের সাথে মূর্তিপূজার প্রথম এবং প্রধান সাংঘর্ষিক সম্পর্ক। মুসলিম সমাজে ভাষ্কর্য বা সংস্কৃতি বলে মূর্তিকে চালিয়ে দেয়ার কোন সুযোগ নেই।

অতীতে যারা জনমতের তোয়াক্কা না করে নিজ খেয়াল খুশি মতো নিজের কিংবা নিজেদের নেতার ভাস্কর্য নামক বিশাল বিশাল মূর্তি বানিয়ে রাস্তায়, পার্কে কিংবা দর্শনীয় স্থানে সগৌরবে প্রতিষ্ঠা করেছে, আপনি খোঁজ করলে দেখবেন- তাদের বেশিরভাগই ছিল অত্যাচারী কিংবা স্বৈরাচারী। তারা নিজের এবং নিজেদের নেতার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য জনগণের অনুমতি না নিয়ে জনগণের টাকায় এসব মূর্তি নির্মাণ করে জনগণের টাকার শ্রাদ্ধ করেছেন। কিন্তু কালের আবর্তে তাদের পতনের পর জনগণ সেই মূর্তিগুলোর গলায় রশি দিয়ে ভূপাতিত করেছে এবং শক্ত শাবল ও মাস্তুলের আঘাতে সেই ভাস্কর্য নামের মূর্তিগুলোকে ভেঙেচুড়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। তার মধ্য দুর্দান্ত দুর্ধর্ষ লেলিন ও স্বৈরাচারী সাদ্দাম হোসেনের ভাস্কর্য মূর্তির কী হাল করেছে- তা আপনারা নিজ চোখেই দেখুন।

যারা এখন বাংলাদেশে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বদ্ধপরিকর, তাদেরকেও বিষয়টি ভাবা উচিত। ইতোমধ্যে লাখো মানুষের সমাবেশে চরমোনাইর পীর ঘোষণা করেছেন- “মসজিদের শহর ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হলে তা ভেঙে বুড়িগঙ্গায় নিক্ষেপ করা হবে।” সরকারের এক উপমন্ত্রী পূজোর সমাবেশে তাদের ঘাড় মটকানোর হুমকি দিলেও কার্যতঃ সরকার তার গায়ে টোকাও দিতে পারেনি। বিবিসির খবরে প্রকাশ- এক চরমোনাইর পীরের হুমকিতেই সরকার ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মান বিষয়ে বিবেচনা করছেন। যদি বাংলাদেশের সর্বস্তরের মুসলমানরা প্রতিবাদে নামেন, তবে অবস্থা কী হবে- তা সহজেই অনুমেয়। তাই আমরা সদাশয় সরকারকে অনুরোধ জানাবো- নাস্তিক কুচক্রী মহলের কথায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করে জনগণের টাকার শ্রাদ্ধ না করে বঙ্গবন্ধুর নামে দেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, স্থাপনা, বসতিপল্লী, আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড, বিজ্ঞান গবেষণার ইত্যাদি নির্মাণ ও ঘোষণা করুন। এতে করে একদিকে বঙ্গবন্ধুর রূহে সওয়াব পৌঁছবে, দেশ ও জনগণের কল্যাণ হবে এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মাও শান্তি পাবে। এতে দেশ ও জনগণ সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাবে এবং জনগণের মনে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি চির জাগরূক থাকবে। কিন্তু প্রতাপশালী সরকার প্রবাসী এই ক্ষুদ্র কলম সৈনিকের কথায় কর্ণপাত করবে কি?

 

 


তারিখ: ২২ নভেম্বর, ২০২০ খৃ.
আবুধাবি, ইউ.এ.ই।

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

দিন রাত্রি’তে বিজ্ঞাপন দিন

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews