1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  15. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  16. michaovdm8@mail.com : latmar :
  17. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  18. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  19. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  20. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  21. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  22. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  23. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  24. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  25. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  26. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  27. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  28. karleengjkla@mail.com : weibad :
  29. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
আমেরিকা কি তুরস্কে নতুন কোনো খেলা খেলতে চাচ্ছে?
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:২৪ অপরাহ্ন

আমেরিকা কি তুরস্কে নতুন কোনো খেলা খেলতে চাচ্ছে?

সাইফুল ইসলাম রুবাইয়াৎ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯২৪ বার পড়া হয়েছে
erdogan-turkey-army-dress-dinratri.net

পশ্চিমারা – বিশেষ করে আমেরিকা অন্য কোনো দেশে নিজের প্রভাব বিস্তারে কখনো গণতন্ত্র, কখনো সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ, কখনোবা সে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, আবার কখনো অর্থনৈতিক অগ্রগতির দোহাই দিয়ে সে দেশের সরকার বদলের পাঁয়তারা করে। আর এভাবে সেসব দেশে নিজের পছন্দসই সরকার বসায়। তবে তাতে সক্ষম না হলে, দেশেটিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ফায়দা লুটা চেষ্টা করেছে। এজন্যে তার সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, ত্রাণ সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় ও দূতাবাসসহ কোনো কিছুই ব্যবহারে দ্বিধা করে না। এক পদ্ধতিতে সফল না হলে, অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করে। কিন্তু এ অপচেষ্টা চালিয়েই যায়।

পদ্ধতিগুলো কিছুটা এমন –

আপনি আমেরিকার অপছন্দের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হলে, সে প্রথমে আপনাকে প্রলোভন দিয়ে কব্জা করার চেষ্টা করবে; না হলে, ভয় দেখাবে; তাতেও কাজ না হলে, ব্লাকমেইলের চেষ্টা করবে। এতেও কাজ না হলে, আপনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করবে। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আপনাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করবে। মিডিয়া, সুশীল সমাজ, বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক মহলকে আপনার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিবে। আপনার প্রতিপক্ষকে বিভিন্ন অজুহাতে সাহায্য করবে। দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। গণরোষ তৈরি করবে। দেশের সন্ত্রাসীদের মদদ দেবে। তাদের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। সন্ত্রাসী আক্রমণের পরিবেশ তৈরি করে দেবে। আপনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অবরোধ আরোপ করবে। আর সবশেষে আপনার বিরুদ্ধে সামরিক আভ্যুত্থান ঘটাবে।

তুরস্ককে প্রথমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদের প্রলোভন দেখানো হলো। দেশটি বছরের পর বছর ইউরোপের দ্বারে দ্বারে ঘুরে যখন বিরক্ত হয়ে ফিরে এলো, তখন শুরু হল আঙ্কারার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ।

প্রথমে জমিন তৈরি করলো মানবাধিকার সংস্থাগুলো। সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এসব সংস্থা মানবাধিকারের সুর তুললো। সেগুলো নিয়ে মিডিয়া হইচই শুরু করে দিলো। রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও বিশেষজ্ঞ মহল সুর মিলিয়ে গলা উঁচিয়ে একই গান গাইতে থাকলো। মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে তুরস্কের টুঁটি চেপে ধরতে চাইলো। তাতেও সফল না হয়ে দেশের ভেতরে গণরোষ তৈরির পাঁয়তারা করলো (২০১৩ সালের গেযি পার্ক আন্দোলন)।

পশ্চিমা বড় বড় গণমাধ্যম তুরস্কের ছোট ছোট আন্দোলনকে উসকে দিতে মরিয়া হয়ে উঠলো। দেশের ভেতরে সন্ত্রাসীদের উসকিয়ে দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করলো। সন্ত্রাসী হামলায় তুরস্ক যখন দিশেহারা – তখন তুরস্ককেই সন্ত্রাসবাদের অপবাদ দেয়া হলো। তাতেও যখন সফল না হয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মরণকামড় দিলো।

সেই ২০১৩ থেকে ২০১৬ তক কতো কিছুই না ঘটেছিলো তুরস্কে! ভাবলে এখনো গা শিউরে উঠে। দুর্নীতির অভিযোগে সিভিল ক্যু, কয়েকটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলন। সিরিয়ার শরণার্থীদের নিয়ে আঙ্কারার উপর অযৈক্তিক চাপ। মুহুর্মুহু সন্ত্রাসী হামলা। আর সবশেষে সামরিক অভ্যুত্থান।

সামরিক অভ্যুত্থানের কয়েক মাস আগে ২০১৬ সালের শুরুর দিকে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা হতো। তবে সবচেয়ে অবাক করার বিষয় ছিলো – প্রতিটি সন্ত্রাসী হামলার দু-একদিন আগেই আঙ্কারার মার্কিন দূতাবাস কোনো এক অদৃশ্য শক্তির কাছ থেকে হামলার আগাম খবর পেয়ে যেতো! আর তার জনগণকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাবধান করে দিতো।

তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা যেখানে এমন কোনো সম্ভাব্য হামলার খবর আঁচ করতে পারেনি, সেখানে মার্কিন দূতাবাসের বিষয়টি আগেই জানাটা কি কেমন একটা খটকার জন্ম দেয় না?

মার্কিন দূতাবাস কীভাবে হামলার খবর আগেই জানে?

এর দুটি উত্তর হতে পারে।

(১) হয়তো তাদের গোয়েন্দা বিভাগ অনেক শক্তিশালী। আর তা হলে, এতো মারাত্মক একটি বিষয় তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে শেয়ার করাটা তাদের দায়িত্ব। কিন্তু তারা সেটা করে না!

(২) তারা সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে উসকে দিতে এ ধরনের আগাম ঘোষণা দেয়। সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে দাওয়াত দেয় সন্ত্রাসী হামলা চালাতে। হামলা হলে যেনো নিজেদেরকে সঠিক প্রমাণ করতে পারে। আর হামলা না হলেও পানি তো ঘোলা হয়!

মার্কিন দূতাবাস সময়ে-অসময়ে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে অতি উৎসাহী থাকে। কখনো প্রকাশ্যে, কখনোবা শব্দের মারপ্যাঁচে তুরস্ককে হুমকি দিতে যথেষ্ট সোচ্চার।

তখনকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত যখন তুরস্ক ছেড়ে যাওয়ার আগে সবশেষ সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন: ‘আমরা না থাকলে তুরস্কে আরো অনেক বেশি সন্ত্রাসী হামলা হতো’ – তখন তুরস্কের অনেক সংবাদমাধ্যমই তার বক্তব্যটিকে এভাবে ব্যাখ্যা করেছিলো – ‘আমরা (আমেরিকা) সন্ত্রাসীদেরকে বলে-কয়ে হামলার মাত্রাটা একটু কমিয়ে এনেছিলাম। আমরা তাদেরকে থামতে না বললে, তারা আরো বেশি হামলা করতো। আমরা তাদেরকে চিনি ও জানি। কিন্তু তোমাকে বলবো না।’

তারপরে তো আসলো সেই বীভৎস রাত! সামরিক অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা। সে রাতে তুরস্কের সরকার জনগণের সহয়তায় অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টাকে ব্যার্থ করে গণতন্ত্রের অনন্য দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করলা। কিন্তু আমেরিকা এবং তার দোসররা আইনের শাসনের দোহাই দিয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের নায়কদের পক্ষ নিলো! হায়রে গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালারা !

মাঝখানে কেটে গেল ক-টি বছর। আমেরিকা তুরস্কের টুঁটি চেপে ধরতে তার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কখনো তুরস্ক থেকে আমদানি করা পণ্যে গলাকাটা ভ্যাট বসিয়ে; কখনো অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে; কখনোবা কূটনৈতিক শিষ্টাচারকে ধূলিসাৎ করে মহল্লার চাঁদাবাজদের মতো সরাসরি হুমকি দিয়ে।

সেই পুরাতন খেলাই কি মঞ্চস্থ করতে যাচ্ছে আমেরিকা?

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ওয়াশিংটন আবারো সেই পুরাতন খেলাকে নতুন করে মঞ্চস্থ করতে চাচ্ছে। কিছুদিন আগেও তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার বদলের ইঙ্গিত দেয়া হয় আমেরিকা থেকে।

মার্কিন মিডিয়া, সামরিক গবেষণা রিপোর্ট এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রাট প্রার্থী জো বাইডেনের বক্তব্যে একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসে বারবার – ‘তুরস্কের বিরোধী দল যথেষ্ট শক্তিশালী না। তাই, তাদেরকে সহযোগিতা করা দরকার। এমনকি ভিন্ন পথে হলেও সরকার বদলানো দরকার’ বলে জানানো হয় আমেরিকা থেকে! মানে, সামরিক অভ্যুত্থানের ইঙ্গিত।

সে আলোচনার রেশ না কাটতেই নতুন চাল খেললো আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। হঠাৎ দূতাবাস থেকে এক বিবৃতিতে মার্কিন নাগরিকদেরকে সতর্ক করে বলা হয় – গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পেরেছেন যে, ইস্তান্বুল বা তুরস্কের অন্য যে কোনো জায়গায় সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে!

তুরস্কের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যখন খুবই ভালো; সিরিয়ার সীমান্ত যখন গত ক-বছরের মাঝে সবচেয়ে সুরক্ষিত; তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনী যখন সবচেয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছে; সেনাবাহিনী যখন দেশে ও বিদেশে সুফল কুড়াচ্ছে – ঠিক সেই মুহূর্তে মার্কিন দূতাবাস থেকে এমন একটি সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে বলে ঘোষণা আসলো! কেমন একটু বেখাপ্পা লাগছে না?

যদিও তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এমন কোনো হামলার সম্ভবনা নাকচ করে দিয়েছে।

কোন পদ্ধতিতে যাবে আমেরিকা?

তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। দেশের বাইরেও অপারেশন পরিচালনা করতে পারি। পুলিশ বাহিনী অনেক বেশি নিষ্কলঙ্ক ও আন্তরিক।

তুর্কি সেনাবাহিনী আরো বেশি সরকারের অনুগত ও সুশৃঙ্খল। বিরোধী দল এখন যথেষ্ট শক্তিশালী না। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোয়ান এখন আরো বেশি অভিজ্ঞ খেলুড়ে। এখন আর কি সেই পুরাতন কৌশল খেলা চলে?

তবে কেউ কারো চেয়ে কম যাবে না। আমেরিকা এক প্রচেষ্টায় সফল না হলে, অন্যভাবে চেষ্টা করবে। ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করবে। এতে কোন সন্দেহ নাই। আমেরিকার নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসবে – এ ধরনের চাল আরো বাড়বে। তবে এরদোয়ানের নতুন তুরস্কের সঙ্গে কতোটুকু পেরে উঠবে আমেরিকা – সেটাই দেখার বিষয়।


সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews