1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  15. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  16. michaovdm8@mail.com : latmar :
  17. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  18. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  19. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  20. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  21. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  22. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  23. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  24. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  25. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  26. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  27. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  28. karleengjkla@mail.com : weibad :
  29. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
দ্য এন্ড অব হিউমিলিয়েশন: এরদোয়ান কি মোদির মাসতুতো ভাই?
শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

দ্য এন্ড অব হিউমিলিয়েশন: এরদোয়ান কি মোদির মাসতুতো ভাই?

রাকিবুল হাসান
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭৩১ বার পড়া হয়েছে
erdogan-in-hagia-sophia-mosque

আয়া সোফিয়ায় প্রথম নামাজ হয় ২৪ শে জুলাই ২০২০। তারিখটা খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ১৯২৩ সালের এই তারিখেই লুজান চুক্তি হয়েছিল। যার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী মোড়লরা উসমানি খেলাফত বিলুপ্ত করে আধুনিক তুরস্কের সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৩ এ। তার পূর্বেই বিশ্বমোড়লদের গালে বেমক্কা এক চপেটাঘাত আয়া সোফিয়ায় নামাজের মাধ্যমে। সিম্বল বুঝেন? প্রতীকী জয়-পরাজয়।

১৯২৯ সালে মার্কিন প্রফেসর ও বাইজেন্টাইন ইন্সটিটিউট অব আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা থমাস হোয়াইটমোর ইস্তাম্বুল ভ্রমণ করেন। কামাল পাশার সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তার ইস্তাম্বুল ভ্রমণে তাকে সঙ্গ দিয়েছিল কামালের পালিত কন্যা যেহরা কামাল।

১৯৩১ সালে কামাল এই প্রতিষ্ঠানকে আয়া সোফিয়ার চিত্রকর্মগুলো খোদাই করে পুনরুদ্ধার করার দায়িত্ব দেয়। ৩৪ সালে এর দেখভালের দায়িত্ব ওয়াকফ মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করে এবং অবশেষে সেই বছরের ২৪ শে নভেম্বরে আয়া সোফিয়াকে যাদুঘর হিশেবে ঘোষণা করে।

Workers are busy carving and recovering Aya Sophia's paintings.

আয়া সোফিয়ার চিত্রকর্মগুলো খোদাই করে পুনরুদ্ধার করার কাজে ব্যস্ত শ্রমিক। Image Source: cornucopia.net

যখন থমাস হোয়াইটমোর চিত্রকর্ম পুনরুদ্ধার কাজ শুরু করে তখন থেকেই মুসলিমরা এর বিরোধিতা শুরু করে। হোয়াইটমোর তার ইন্সটিটিউশনে পাঠানো রিপোর্টে সেসব উল্লেখ করেছে। পাশাপাশি মসজিদকে যাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্তে অনেক রকম গুজব ডালাপালা মেলে। এসবের প্রধান কারণ ছিল হোয়াইটমোর এবং ১৮৭৭ সালের ২০ শে আগস্ট নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রবন্ধ।

শিরোনাম ছিল ‘এ্যা গ্রেট ডোমড চার্চ’!! “ঠিক কবে নাগাদ সেন্ট সোফিয়া গির্জার মিনারে ক্রুশ স্থাপিত হবে কিংবা খোদ মিনারগুলোই সরিয়ে দিয়ে চার্চকে তার পূর্ব রূপে ফিরিয়ে নেওয়া হবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না। …… তবে ইস্তাম্বুলের গ্রিকদের মত আমরাও নিশ্চিত যে একদিন পরিবর্তন আসবেই, ‘আয়া সোফিয়া’ খ্রিস্টের হাতে আসবেই”!! কিয়দংশ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশরাও একে চার্চে পরিণত করতে চেয়েছিল।

ফলে কামালের আদেশ বিপুল প্রোপাগান্ডা তৈরি করে। দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠে। কামালের মৃত্যুর পর সে আন্দোলন ধীরে ধীরে দানা বাঁধতে শুরু করে।

১৯৫২ সালে গ্রিক পত্রিকা এক্রোপোলিস যাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্তে অর্থোডক্স চার্চের সম্মতি জানায় পাশাপাশি একদিন আয়া সোফিয়া চার্চে পরিণত হবে মর্মে আশা প্রকাশ করে।

তুরস্কের প্রভাবশালী ইসলামি কবি নাজিব ফাজিল কিজাকোরেক ১৯৬৫ সালে আয়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তর করার দাবিতে একটি কনফারেন্স করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন ‘আয়া সোফিয়াকে যাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মূলত তুরস্কের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে যাদুঘরে পাঠানো হয়েছে’। পাশাপাশি কামালের মন্ত্রীসভাকে তিনি ‘তুচ্ছ’ উপদল হিশেবে আখ্যায়িত করেন। তখন থেকেই আয়া সোফিয়া ধর্মীয় ইস্যুর পরিবর্তে ‘সার্বভৌমত্বের’ প্রশ্ন হয়ে উঠতে শুরু করে।

Necip-Fazıl-Kısakürek

তুরস্কের প্রভাবশালী ইসলামি কবি নাজিব ফাজিল কিজাকোরেক; Image Source: siir.me/necip-fazil-kisakurek

জরিপে দেখা যাচ্ছে তুরস্কের ৭০ পার্সেন্ট মানুষ আয়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদ বানানোর সিদ্ধান্তে খুশি। তারা সবাই কি একে পার্টির সমর্থক? তুরস্কের কোনো প্রধান রাজনৈতিক দলই এই ঘোষণার বিরোধিতা করার সাহস পাচ্ছে না, কেন? কারণ এটি এখন ধর্মীয় প্রশ্ন নেই।

মূলত এটি এরদোয়ানের ইস্যু না, জাতীয় সার্বভৌমত্বের ইস্যু। তিনি জনমত নিজের পক্ষে রাখতে সেই ইস্যুতে সমর্থন দিচ্ছেন। ভাবে মনে হয় তিনি এতে সমর্থন না দিয়ে ৭০ শতাংশ ভোটারকে রূষ্ট করলে অনেকেই খুশি হতেন। এরদোয়ানের জাত রক্ষা হত। যখন কবি নাজিব সেই কনফারেন্সের আয়োজন করেন এরদোয়ানের বয়স তখন ১১। মানে হচ্ছে তার জন্মের পূর্ব থেকেই এটি ইস্যু হয়ে আছে।

এই আগুনে ঘি ঢালে পোপ ষষ্ঠ পল। ১৯৬৭ সালে তিনি ইস্তাম্বুল সফরে গিয়ে আয়া সোফিয়ায় হাঁটুগেড়ে বসে খ্রিষ্টীয় রীতিতে প্রার্থনা করেন। প্রতিবাদে গোটা তুরস্কে বিক্ষোভ দেখা দেয়। ঠিক পরদিনই ন্যশনাল টার্কিশ স্টুডেন্ট এসোশিয়েশন আয়া সোফিয়ায় জামাতে নামাজ আদায়ের ডাক দেয় এবং তারা আদায়ও করে।

Pope-Paul-VI-visited-Turkey-in-July-1967

পোপ ষষ্ঠ পল; Image Source: en.wikipedia.org

চাপ এতটাই বেশি ছিল যে ১৯৮০ সালে কামালপন্থী প্রধানমন্ত্রী আয়া সোফিয়ার ইম্পেরিয়াল (সুলতান) গ্যালারিকে নামাজের স্থান হিশেবে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। (প্রধানমন্ত্রী ছিল সুলেইমান দেমিরেল) সে তো ইসলামিক রাজনীতি করেনি, তবুও কেন নামাজের সম্মতি দিতে হল- বোঝা দরকার। এটা না বুঝলে আপনি ইউরোপের ইসলামফোব প্রোপাগান্ডায় ভেসে যাবেন।

পাশাপাশি ২০০৬ সালে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট ও ২০১৪ সালে পোপ ফ্রান্সিস উভয়েই ইস্তাম্বুল ভ্রমণ করেন এবং আয়া সোফিয়ায় যান। উভয় ঘটনাই আয়া সোফিয়াকে পুনরায় ইস্যু বানিয়ে তোলে। ২০১২ সালের ২৭ শে মে হাজার হাজার মুসলিম ৫৫৯ তম ইস্তাম্বুল বিজয়ের স্মরণে আয়া সোফিয়ার সামনে নামাজ আদায় করে।

উল্লেখ্য ইস্তাম্বুল বিজিত হয়েছিল মে মাসে। তারা ‘বন্দি মসজিদ মুক্ত করো, শেকল ভেঙ্গে ফেল’ স্লোগান দেয়।

এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য দেই। ২০১৩ সালে তুরস্কের বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ইউসুফ হুলাজুগলো এবং আরও দুইজন গবেষকের একটি গবেষণাপ্রবন্ধ প্রকাশ করে তুরস্কের একটি একাডেমিক ম্যাগাজিন। সেখানে তারা আয়া সোফিয়াকে যাদুঘর হিশেবে বহাল রাখা আইনত আর সম্ভব নয় বলে মত প্রকাশ করে।

তখন এরদোয়ান প্রধানমন্ত্রী ছিল। তিনি এই আহবান প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন আয়া সোফিয়ার বর্তমান স্ট্যাটাস পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে ইস্তাম্বুলে অনেক ঐতিহাসিক মসজিদ রয়েছে যেমন সুলতান আহমদ মসজিদ, যেটি ব্লু মস্ক নামে পরিচিত। পাশাপাশি ইস্তাম্বুলে তিন হাজারের অধিক মসজিদ রয়েছে সেটাও মনে করিয়ে দেন। সুতরাং আয়া সোফিয়া পরিবর্তনের কোন প্রয়োজন নেই। এটা এরদোয়ানের ভাষ্য।

কারণ আয়া সোফিয়া পরিবর্তনের রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে তিনি পরিপূর্ণ সতর্ক ছিলেন এবং এখনো আছেন। এজন্যই আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের কথা তিনি গত নির্বাচনের মাত্র কয়েকসপ্তাহ আগে ঘোষণা করেন তাও অস্পষ্টভাবে, ইঙ্গিতে। সো যারা চা বিক্রেতা মোদি আর এরদোয়ানকে এক পাল্লায় মাপছেন তাদের পুনরায় ভাবা উচিৎ।

সবচেয়ে মজার ঘটনাটা ঘটে ২০১৬ সালে। সেবছর তুরস্কের ধর্মমন্ত্রণালয় রমজান মাসে আয়া সোফিয়ার নামাজের স্থান থেকে কোর’আন তিলাওয়াতের প্রোগ্রাম চালু করে। যা প্রতিবছর চলবে। গ্রিস এতে তীব্র আপত্তি জানায়। এই অনুষ্ঠানটি চালু করা হয়েছিল লাইলাতুল কদরকে কেন্দ্র করে। লাইলাতুল কদর বা শবে কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।

অনুষ্ঠানটির নামও ছিল ‘খইরুম মিন আলফি শাহর’ তথা হাজার মাসের চেয়েও সেরা। আর সেবছর ছিল আয়া সোফিয়াকে যাদুঘরে পরিণত করার হাজারতম মাস!! অনুষ্ঠানের শেষে ঠিক সেই স্থান থেকে আজান সম্প্রচার করা হয় যেখান থেকে ৮৫ বছর পূর্বে সর্বশেষ আজানের সুর ধ্বনিত হয়েছিল।

হোয়াট এ্যা সিম্বল!! জাস্ট এমেইজিং!

বাবরি আর আয়া সোফিয়া কি এক?

বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির ছিল- এটি একটি কাল্পনিক রূপকথা। এমনকি ভারতের আদালত তার চূড়ান্ত রায়েও বলেছে বাবরি মসজিদের নিচে স্থাপনা ছিল প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষ থেকে সেটা নিশ্চিত। কিন্তু সেটা যে মন্দিরই ছিল তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আদালতের ১১ শ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় অনলাইনে এভেইলাবল, দেখে নিতে পারেন। আমার কথা হচ্ছে সেই ধ্বংসাবশেষ তো আরেকটা মসজিদেরও হতে পারে। তাই না?

Babri-Masjid-in-Ayodhya-india

ধ্বংসের আগে বাবরি মাসজিদ; Image Source: en.wikipedia.org

বাবরি মসজিদ কখনোই ইস্যু ছিল না। বিজেপি-শিবসেনা-বজরঙ গ্যাং যখন রাজনীতিতে আসে, তাদের জনসমর্থন আদায়ের কোন গ্রাউন্ড ছিল না। তাই অত্যন্ত চতুরতার সাথে তারা ধর্মকে ইস্যু বানায়। দাঙ্গা বাঁধায়, মসজিদ ভাঙ্গে। এর মাধ্যমে তারা তাদের উগ্র ভোটারদের নিকট পৌঁছে যায় এবং তাদের সমর্থন নিশ্চিত করে।

পক্ষান্তরে আয়া সোফিয়া একটা জীবন্ত ইস্যু। গোটা বিশ্বের আটশো কোটি মানুষ দেখছে সেখানে কী হয়েছে, কী হচ্ছে।

বাবরি মসজিদ রায় ছিল ধর্মভিত্তিক অর্থাৎ সেখানে রাম মন্দির ছিল তাই সেটা পুননির্মাণ করতে হবে। কিন্তু তুরস্কের আদালতের রায় কোন ধর্মীয় গ্রাউন্ডে ছিল না।

সেটা ছিল সুলতান মুহাম্মদ আল ফাতিহের ব্যক্তিগত সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে তা নিয়ে। সুলতান নিজে ওয়াকফ ফাউন্ডেশন গড়ে তাকে আয়া সোফিয়ার নিয়ন্ত্রণ প্রদান করেন। তাদেরকে বাৎসরিক ১৪ হাজার স্বর্ণমুদ্রার বাজেট প্রদান করেন। এবং ওয়াকফনামায় এটিও লেখেন যে ফাউন্ডেশনের কেউ যদি আয়া সোফিয়াকে তার মূল উদ্দেশ্যচ্যূত করে তবে তার উপর অভিশাপ।

ফাউন্ডেশনের মামলাও ছিল এই মর্মে যে তারা এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চায়। তাদের ইচ্ছেমত ব্যবহারের অধিকার চায়। আদালতের রায় ছিল যেহেতু তারা সুলতান কর্তৃক নির্ধারিত বৈধ অথরিটি, সুতরাং এটি তাদের জিম্মায় থাকবে, তাদের ইচ্ছানুপাতে ব্যবহার হবে।

এখানে মসজিদ-মন্দির-যাদুঘরের কোনো ইস্যু ছিল না। এটি ধর্মীয় রায়ও ছিল না।

সুতরাং যারা এই দুই ঘটনাকে এক করে ঘোল খাওয়াতে চাচ্ছেন, কাল্পনিক রাম মন্দির আর বাস্তব আয়া সোফিয়াকে এক করে উদ্ভট, হাস্যকর সব কথা বলছেন, তারা পুনরায় ভাবা উচিৎ।

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews