1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. gennieleija62@awer.blastzane.com : gennieleija6 :
  15. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  16. katharinafaithfull9919@hidebox.org : isabellhollins :
  17. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  18. michaovdm8@mail.com : latmar :
  19. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  20. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  21. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  22. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  23. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  24. guscervantes@hidebox.org : ophelia62h :
  25. margarite@i.shavers.skin : pilargouin7 :
  26. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  27. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  28. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  29. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  30. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  31. ulkahsamewheel@beach-drontistmeda.sa.com : ulkahsamewheel :
  32. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  33. karleengjkla@mail.com : weibad :
  34. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
কে এই মৃণাল হক?
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১০:৫৯ অপরাহ্ন

কে এই মৃণাল হক?

আহমদ মনির
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬২৭ বার পড়া হয়েছে
Who-is-Mrinal-Haque

মৃণাল হক। খুব প্রতিভাবান (!) মানুষ। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি খুব পরিচিত না হলেও, একদম অপরিচিতও নন। কিন্তু তার কাজ দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষের কাছে পরিচিত! তবে যারা তাকে ভালোভাবে চেনেন না, তাদেরকে এ লেখা এমন একজন বিশেষ ব্যক্তির পরিচয় পেতে সহায়তা করবে বলে আশা করি।

জনাব মৃণাল একজন হাই মোটিভেটেট সৃষ্টিশীল মানুষ। পরিচয়ে তিনি একজন বিখ্যাত মূর্তি নির্মাতা। তবে নিজেকে তিনি মূর্তিনির্মাতা না বলে ভাস্কর বলে পরিচয় দিয়ে থাকেন। আর তিনি কোন বিশেষ ধর্মের উপাসনার জন্য মূর্তি নির্মাণ করে আলোচিত নন, তিনি আলোচিত অন্য মূর্তি নির্মাণে। কোন সে মূর্তি ? কী তার অবদান? তা’ই আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু।

পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে। পড়াশোনা শেষে একসময় অর্থাৎ ১৯৯৫ সালে পাড়ি জমান আমেরিকায়। ২০০২ সালে ফিরে আসেন আবার বাংলাদেশে। প্রথমে ২০০২ থেকেই তার কীর্তি বর্ণনা শুরু করা যাক, আমেরিকায় অবস্থানকালীন সময়ে তার কাজ নিয়ে আলাপে একটু পরে আসছি।

২০০২ দিয়ে তিনি এক মহান (!) ব্রত নিয়ে দেশে আসেন। দেখতে পান বাংলাদেশ আজও কতটা পশ্চাৎপদ, এখনো পিছিয়ে আছে! রাস্তার মোড়ে মোড়ে মূর্তি দেখা যায় না, এভাবে নিজ জন্মভূমিকে কী পিছিয়ে রাখা যায়? তাই দেশকে আধুনিক করতে মতিঝিলে বকের ভাস্কর্য (মূর্তি) নিজ খরচে নিজে নির্মাণ করেন। এরপর নিজের পকেটের টাকা ও শ্রম ঢালা শুরু করলেন মসজিদের শহর ঢাকাকে মূর্তির শহর বানাতে!

বিমান বন্দরের সামনে তৈরি করলেন বিরাট লালনের মূর্তি। কিন্তু স্থানীয় দুষ্ট (!) মুসল্লিরা তা ভেঙে ফেলে। ধর্মান্ধরা দেশকে আবারো হাজার বছর পিছিয়ে দেয়! এরপর বিমান বন্দর সড়কে তৈরী করলেন ঈগলের মূর্তি। হোটেল শেরাটনের (বর্তমান নাম ইন্টারকন্টিনেন্টাল) সামনের মহাসড়ক চত্বরে যে ‘ঘোড়া ও মানুষসহ ঘোড়ার গাড়ির মূর্তি’ তাও তার তৈরি।

Lalon-sculpture-dhaka

লালনের নির্মানাধীন ভাস্কর্য, যা পরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

শাহবাগ বিটিসিএল ভবনের সামনে জননী ও গর্বিত বর্ণমালা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের ‘দুর্জয়’ মূর্তিও মৃণাল হক নির্মিত। এভাবে শুধু ঢাকা শহরে রাজপথের গুরুত্বপূর্ণ চত্বর গুলোতেই নির্মাণ করেছেন ২৫ এরও বেশি মূর্তি-ভাস্কর্য। আর সবই নাকি তিনি নিজ খরচে করেছেন!

শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশেকেই তো আধুনিক করা প্রয়োজন, তাই সমগ্র দেশ জুড়েই মূর্তি নির্মাণ করে চলেছেন মৃণাল। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নির্মিত ‘গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার’ তারই তথাকথিত শিল্পকর্ম। এভাবে সারা দেশের পাবলিক স্পটে কত শত মূর্তি নির্মাণ করেছেন তার হিসাব রাখা সম্ভব হয়নি।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন সুপ্রিম কোর্টের সামনে ‘গ্রিক দেবী’র মূর্তি বানিয়ে। আবারো মূর্খ (!) মুসলিমদের প্রতিবাদের মুখে তা অপসারণ করা হয়। ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানে গড়ে তুলেছেন দেশের প্রথম স্বতন্ত্র মুর্তি মিউজিয়াম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেলিব্রিটিদের মূর্তি রয়েছে সেখানে। এই গরিবের মাদাম তুসো মিউজিয়াম নির্মাণও নাকি সম্পূর্ণ তার নিজ খরচে।

sculpture-Greek-idol-suprim-court-dhaka

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য, যা জনতার রোষানলে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এবার আশা যাক তার আমেরিকা জীবনের আলোচনায়, ১৯৯৫ সালে মৃণাল আমেরিকাতে পাড়ি জমানোর পর সেখানে প্রথমে প্রাণীর মুরাল (টেরাকোটা ও দেয়ালে চিত্রাঙ্কন) তৈরির কাজ শুরু করেন। নিউইয়ার্ক সিটিতে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসে তার প্রথম প্রদর্শনী প্রদর্শিত হয়। তিনি অবশ্য ১৯৮১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বহু মুরাল তৈরি করে আসছেন, বঙ্গভবনের ভেতরেও তার তৈরি বিশাল আকারের মুরাল রয়েছে।

মৃণাল নিউইয়ার্কে এত বেশি কাজ করে যে, নিউইয়ার্কের সরকারি টিভি চ্যানেলে তার একটি সাক্ষাৎকার ২৬ বার এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন চ্যানেলে ১৮ বার প্রচারিত হয়। সিএনএনকে জানান নিউইয়র্ক সিটি তার কাছে মানসম্মত মনে হয়নি, সেখানে বেশি একটা ভাস্কর্য দেখা যায় না! তাই তিনি আমেরিকা সরকারের সহায়তা পেলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য নিউইয়র্ক সিটিতে বানাতে চান।

সে আশা তার পূরণ না হলেও বাংলাদেশে ফিরে এসে কী করে চলেছেন তা তো কিছুটা উল্লেখ ইতোমধ্যে করা হয়েছে, তার মিউজিয়াম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অবশ্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দেখা যায়। যদিও কোটি কোটি টাকার কাজ সব নাকি তিনি নিজ খরচেই করেন।

তবুও এই ধর্মান্ধ সমাজে তার আক্ষেপ মিটে না, উচ্চ শিক্ষিত মানুষেরাও তাদের বাড়িতে চিত্র অংকন করায় কিন্তু প্রাণীর ছবি আঁকতে নিষেধ করে, এগুলো থাকলে ঘরে ফেরেশতা ঢুকবে না বলে হাদীসে বিশ্বাস করে, শিক্ষিত মানুষেরা এখনো মৃণালের মতো আধুনিক হতে না পারায় যমুনা টিভিতে খুব আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি চান মূর্তি এমন স্থানে স্থাপন করা উচিত যা প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ দেখতে পাবে‌।

কিন্তু তার এই কাজ শুধু মুসলিমরাই অপছন্দ করে তা নয়, অন্যান্য মূর্তি ভাস্কর্য নির্মাতারাও তার কাজের বিরোধিতা করে, মানের কারণে। তিনি অবশ্য বিখ্যাত কোন ব্যক্তির মূর্তি নির্মাণ করতে যেয়ে কার্টুন টাইপ চেহারা বানিয়ে ফেলেন। তা নিয়ে সেক্যুলার মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রচুর ট্রল হয়। তিনি সমালোচনা শুনে অবশ্য আক্ষেপ করে বলেন—

‘আমেরিকা ছেড়ে আমি বাংলাদেশে এসেছি দেশের মঙ্গলের জন্য, বাংলাদেশে ভাস্কর্য বলতে কোন ধারণা ছিল না, আমি ভাস্কর্য ধারণার সৃষ্টি করেছি, ঢাকা শহরে ২৫ টির মত শিল্পকর্ম-ভাস্কর্য তৈরি করেছি। যারা আমার কাজের সমালোচনা করেন, তারা নিশ্চয়ই আরো ভালো বানাতে পারেন কিন্তু আপনার বানান না কেন? আমি ঢাকার সকল ভাস্কর্য নিজের অর্থায়নে বানিয়েছি, অল আর স্পন্সর্ড বাই মি।’ [১]

মৃণাল হক রীতিমতো মসজিদের শহরকে মূর্তির শহর বানিয়ে ফেলেছে, আরো পঞ্চাশোর্ধ স্পটের কথা জানিয়েছে যেখানে মূর্তি বানানো যাবে। অর্থাৎ বর্তমান প্রজন্ম ও পরবর্তী প্রজন্ম রাস্তার মোড়ে মোড়ে মূর্তি দেখে বড় হবে, এটাকেই জাতীয় সংস্কৃতি হিসেবে চিনতে শিখবে, একসময় হয়তো শ্রদ্ধা ও জন্ম নিবে যা ইতিমধ্যে অনেকের মধ্যেই নিয়েছে। এভাবেই সাধারণ মূর্তি থেকে আরবে মূর্তি পূজার সূচনা হয়েছিলো।

আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রা) বলেন—

এগুলো (ওয়াদ্দ, সুওয়া, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসর) হচ্ছে নূহ (আ) এর সম্প্রদায়ের কিছু পুণ্যবান লোকের নাম। তারা যখন মৃত্যুবরণ করেছে তখন শয়তান তাদের সম্প্রদায়কে এই কুমন্ত্রনা দিয়েছে যে, তাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে মূর্তি স্থাপন করা হোক এবং তাদের নামে সেগুলোকে নামকরণ করা হোক। লোকেরা এমনই করল। ওই প্রজন্ম যদিও এই সব মূর্তির পূজা করেনি কিন্তু ধীরে ধীরে প্রকৃত বিষয় অস্পষ্ট হয়ে গেল এবং পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূজায় লিপ্ত হল। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৯২০)

অর্থাৎ মূর্তির সংস্কৃতি বন্ধ করা যে কতটা জরুরি তা আর সচেতন মুসলিমদের খুলে বলার প্রয়োজন নেই। আর যারা বলবেন মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয়, এই কুতর্ক করার আগে অবশ্যই লিংকের লেখাটি পড়ে নেবেন।[২]

সর্বশেষ মৃণাল হক ও তার অনুসারীদের কাছে প্রশ্ন রইলো রাস্তার মোড়ে মোড়ে মূর্তি নির্মাণ করলে দেশের কী উন্নতি হয়? মঙ্গল হয় কিভাবে? এটা আধুনিকতা কিভাবে কী? নাকি এটাই সাইন্স!



প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

দিন রাত্রি’তে বিজ্ঞাপন দিন

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews