1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. gennieleija62@awer.blastzane.com : gennieleija6 :
  15. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  16. katharinafaithfull9919@hidebox.org : isabellhollins :
  17. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  18. michaovdm8@mail.com : latmar :
  19. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  20. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  21. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  22. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  23. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  24. guscervantes@hidebox.org : ophelia62h :
  25. margarite@i.shavers.skin : pilargouin7 :
  26. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  27. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  28. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  29. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  30. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  31. ulkahsamewheel@beach-drontistmeda.sa.com : ulkahsamewheel :
  32. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  33. karleengjkla@mail.com : weibad :
  34. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
মালি: সামরিক অভ্যুত্থানের আদ্যোপান্ত
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন

মালি: সামরিক অভ্যুত্থানের আদ্যোপান্ত

হাসান আকন্দ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৭০২ বার পড়া হয়েছে
the-military-coup-of-mali

এক.
মালির সেনাবিদ্রোহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার আগে বিদ্রোহের প্লটের ব্যাপারে একটু জানা যাক। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে সোনা, তেল, কপার, সিলভার ইউরোনিয়ামসহ অনেক দামি দামি ধাতুর খনি থাকার পরেও তার জনগণ কেন এত গরীব? কেন তারা খাদ্য পায় না? কেন চিকিৎসা, শিক্ষা নেই? কেন মানবিক অধিকার নেই? উত্তর— সবকিছু কলোনিস্ট লুটেরা ইউরোপের কথিত ভদ্র দেশ ফ্রান্স চুরি করে, লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য ফ্রান্সের ধারাবাহিক শোষণ ও বৈষম্য দায়ী।

মালিতে ফ্রান্সের তেল কম্পানি টোটালের ৭০ টা স্টেশন আছে। তেলের মেক্সিমাম শেয়ার তাদের।
ফ্রান্সের ওরানো গ্রুপ মালির সোনা, কপার, সিলভার, ইউরেনিয়ামের খনিগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। খনি থেকে তুলে সব ফ্রান্সে পাচার করে।

আফ্রিকা থেকে ফ্রান্স এই তেল, সোনা, ইউরেনিয়ামসহ মূল্যবান ধাতু পাচার করার জন্য দুইটা রুট ব্যাবহার করে থাকে। দুইটা রুটের শেষ প্রান্ত হচ্ছে লিবিয়ার সির্ত। লিবিয়াতে তুরস্কের অবস্থান ও জিএনএ সরকারের অগ্রগতি এজন্যই ফ্রান্স চায় না। এ কারণেই মালিসহ আফ্রিকার দেশগুলোতে ফ্রান্স নিজেদের অনুগত দল বা ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসায়।

 

Two routes for smuggling oil, gold and uranium from Africa to France

আফ্রিকা থেকে ফ্রান্সের তেল, সোনা, ইউরোনিয়াম পাচারের দুইটা রুট;

 

গত ১৮ আগস্ট ২০২০,  মালির সেনাবাহিনী বিদ্রোহ শুরু করে রাজধানী বামাকো থেকে ১৫ কি.মি. দূরে কাতি ক্যাম্প থেকে। কাতি ক্যাম্পের সহকারী প্রধান কর্নেল মালিক দিয়াও বিদ্রোহী সেনাদের নিয়ে রাজধানীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। কাতি ক্যাম্পের বিদ্রোহী সেনাদের নেতা কর্নেল মালিক প্রেসিডেন্টকে দুপুর ২টা মধ্যে ক্ষমতা ছাড়ার জন্যে হুমকি দেন। রাজধানী আসার পথে আরো অনেক সেনা কর্নেল মালিকদের সাথে যোগ দেয়। রাজধানীত পথে সাধারণ মানুষ বিদ্রোহী সেনাবাহিনী সদস্যদের অভিনন্দন জানান ও উল্লাস প্রকাশ করে।

বিদ্রোহী সেনারা যখন মালির প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনে আসে, তখন সেনাবাহিনী ও জনগণের সংখ্যা দেখে ভয় পেয়ে যায় প্রেসিডেন্ট ভবনের নিরাপত্তা রক্ষীরা। বিদ্রোহী সেনারা এরপরে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুবাকার কেইতা, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীকে আটক করে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে রাজধানীর একটা সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যায়। এরপর বিদ্রোহী সেনারা প্রেসিডেন্ট কেইতাত সম্পূর্ণ সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।

 

Colonel Malik Diwa, an influential military officer in the army coup

কর্নেল মালিক দিওয়া, সেনা অভ্যুত্থানের প্রভাবশালী সামরিক অফিসার;

 

মালির সেনা অভ্যুত্থানে তিন সেনা অফিসার সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিল। কর্নেল মালিক দিওয়া, কর্নেল সাদিও কামারা ও জেনারেল চেইক ফান্টা ম্যাডি। এই তিনজনের মধ্যে কর্নেল দিওয়া ও কামারা কয়েকমাস আগে রাশিয়া থেকে সামরিক ট্রেনিং নিয়ে এসেছিল। এই সেনা বিদ্রোহে অবশ্যই আন্তর্জাতিক শক্তি রয়েছে। সেটা রাশিয়া হতে পারে কিংবা তুরস্ক।

কেন এই সেনা অভ্যুত্থান? এই প্রশ্নের উত্তর একটু বড়। সংক্ষেপে বললে ফ্রান্সের যুগের পর যুগ শোষণ, নিপীড়ন বৈষম্য ও অযোগ্য ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসে রাখাই দায়ী। এই অভ্যুত্থানের প্লট তৈরি হয়েছিল আজ থেকে দুই বছর আগে ২০১৮ সালে। ফ্রান্সের পদলেহী প্রেসিডেন্ট কেইতা যখন নির্বাচনে ভোট চুরি করে ২য় বার ক্ষমতায় বসেছিল।

এমনিতেই ১ম মেয়াদে কেইতা সরকারের দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা অতিষ্ট ছিল মালির সাধারণ জনগণ, তার উপরে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় গেলে জনগণ মালির প্রভাবশালী ইমাম মাহমুদ ডিকোর নেতৃত্বে বিক্ষোভ শুরু করে। কিন্তু ২০২০ সালের শুরুর দিকে প্রধামন্ত্রী ও মন্ত্রীসভা পদত্যাগ করে। এরপরে মার্চে যে নির্বাচন হয়, তাতে প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ও বেশ কয়েকজন নির্বাচনীয় কর্মকর্তাকে অপহরণ করে, যেন ভোট চুরি করা যায়।

এরপর টানা আন্দোলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেন ইমাম মাহমুদ। জনগণের জন্য ইমাম মাহমুদ ২০১২ সালেও দুর্নীতিবাজ প্রেসিডেন্ট আমাদু টুমানির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন। টুমানিও ফ্রান্সের অনুগত ছিল। এবং ব্যাপক মাত্রায় দুর্নীতি, অর্থপাচার, সামাজিক অব্যবস্থাপনার জন্যে দায়ী ছিল। ২০১২ সালেও টুমানিকে পতনের জন্য কাতি মিলিটারি ক্যাম্প থেকেই সেনা বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট টুমানিকে পতনের পর ইমাম মাহমুদের সমর্থন নিয়ে ২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিল দুই দিন আগে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুবাকার কেইতা। কেইতা তখন ইমাম মাহমুদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জনগণ ও দেশের কল্যাণে কাজ করবেন। কিন্তু তিনি তার ওয়াদা রাখেনি। মালির জনপ্রিয় ও ব্যাপক প্রভাবশালী ইমাম মাহমুদ কিন্তু ক্ষমতার জন্য এই আন্দোলন বা বিক্ষোভ করেননি।

দুই.
সময়টা মার্চ ২০১২ সাল, মালির প্রেসিডেন্ট আমাদাও টাওমানি টাওরি সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচুত্য হওয়ার পরে আত্মগোপনে চলে যায়। ফ্রান্সের খুবই ঘনিষ্ট ও আজ্ঞাবহ টাওরির ১০ বছরে ব্যাপক দুর্নীতি, অর্থ পাচার, অযোগ্যতায় দেশের অবস্থা শোচনীয় ছিল। দেশের প্রচুর সম্পদ থাকলেও জনগণ তার ছিটেফোঁটাও পেত না। সব ফ্রান্স লুটে নিয়ে যেত। এর মধ্যে মরার উপর খড়ার ঘা হিসাবে আসে মালির উত্তরে থাকা তাওরেগ উপজাতিদের বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহী দমনের ব্যর্থতাও টাওরিকে ক্ষমতাচ্যুত করার অন্যতম একটা কারণ।

 

The map is updated in 2020. To the north is the Azwad region of the Taoregs. Separated with black lines. Red Area Mali Government, The green part is in the possession of Taoreg, the white part is in the possession of Ansar Deen.

ম্যাপটা ২০২০ সালের আপডেট করা। উত্তর দিকে তাওরেগদের আজওয়াদ অঞ্চল। কালো রেখা দিয়ে সেপারেট করা। লাল এরিয়া মালি সরকার, সবুজ অংশ তাওরেগ, সাদা অংশ আনসার দ্বীনের দখলে আছে।

 

মালির উত্তরে অবস্থিত আজওয়াদ অঞ্চল নিয়ে একটা স্বাধীন দেশের দাবীতে তাওরেগ বিদ্রোহীরা, ন্যাশনাল মুভমেন্ট ফর দ্যা লিবারেশন ওফ আজাওয়াদ (MNLA) দলের অধীনে অস্ত্র হাতে বিদ্রোহ শুরু করে। MNLA মূলত সেক্যুলার তাওরেগ জাতীয়তাবাদী। ২০১২ সালে জানুয়ারিতে তাওরেগ বিদ্রোহীরা আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় মালির সেনাবাহিনীর উপর, এবং উত্তরের অনেক অঞ্চল দখল করে নেয়।

জুন ২০১২, দৃশ্যপটে আসে আনসার দ্বীন, যারা আল কায়দা মতাদর্শের যোদ্ধা। আনসার দ্বীনের যোদ্ধারা MNLA এর কাছ থেকে উত্তর মালির বেশ কিছু বড় বড় শহর দখল করে নেয়। এরপর ২০১৩ সালে MNLA স্বাধীনতার দাবী থেকে সড়ে এসে স্বায়ত্তশাসনের দাবীতে শান্তি আলোচনার জন্যে রাজী হয়।

একদিকে সেক্যুলার ন্যাশনালিস্ট, অন্য দিকে আনসার দ্বীন আর একদিকে মালির সামরিক সরকার। শান্তি আলোচনায় কে মধ্যস্থতা করবে? এই তিন গ্রুপকে এক করার জন্যে সামনে আসে ইমাম মাহমুদ, যিনি সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য। ইমাম মাহমুদ ২০১৩ সালে তিন বিরোধী গ্রুপের মধ্যে শান্তি আলোচনা করতে সক্ষম হন। এরপরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলে, ইমাম মাহমুদ তখকার বিরোধীদলীয় নেতা ইব্রাহিম বুবাকার কেইতাকে সমর্থন করেন, এই শর্তে যে কেইতা দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করবে ও শান্তি বহাল রাখবে। কিন্তু ফ্রান্সের আজ্ঞাবহ কেইতা তার কথা রাখেনি।

 

Imam Mahmoud: A reflection of the exploited people of Mali.

ইমাম মাহমুদঃ মালির শোষিত জনগণের প্রতিচ্ছবি।

 

এবার ইমাম মাহমুদের পরিচয়টা জেনে নেওয়া যাক। ইমাম মাহমুদ ১৯৫৪ সালে মালিতে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশুনা করেন মৌরিতানিয়া ও সৌদি আরবের মদিনাতে। এখানে সালাফি আলেমদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি নিজেও একজন সালাফি। ১৯৮০ সালে তিনি বাদালাবাওগোর সালাম মসজিদের ইমাম হন। ইমাম মাহমুদ ‘হাই ইসলামিক কাউন্সিল অফ মালি’ এর প্রধান ছিলে ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত।

মাহমুদ জনস্বার্থে বেশ কিছু আন্দোলন করেন। ২০০৮ সালে সরকার সমকামীতা স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে যোগ করতে চাইলে, মাহমুদের তীব্র আন্দোলনের কারণে সরকার সমকামীতা পাঠ্যপুস্তকে যোগ করেনি। আর ২০২০ সালে দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারি প্রেসিডেন্ট কেইতার বিরুদ্ধে ২০১৮ সাল থেকেই জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলন করে আসছিলেন।

মালির জনগণের এত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মানুষটা কখনো ক্ষমতার জন্য আন্দোলন করেননি। উনি চেয়েছেন জনগনের অধীকার, প্রাপ্য ও শান্তি। অথচ উনি চাইলেই মালির প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন। ইমাম মাহমুদের একটা বিখ্যাত ডায়লগ আছে—

‘আমি রাজনীতিবিদ না, কিন্তু যদি তুমি মনে কর জনগণের অধিকার আদায় রাজনীতি, তাহলে আমি রাজনৈতিক।’

২০১৩ সালের শেষের দিকে MNLA শান্তিচুক্তি ভেঙ্গে ফেলে। এরপরে ফ্রান্স অজুহাত দেখিয়ে ব্যাপক আকারে সেনাবাহিনী মালিতে প্রবেশ করায়। পাশাপাশি জাতিসংঘের সেনাও মালিতে মোতায়েন করার হয়। ইমাম মাহমুদ তখন প্রতিবাদ করেন এবং বলেন, ফ্রান্স নতুন করে কলোনিজম শুরু করতে চাচ্ছে। মাহমুদ হয়ত বুঝতে পেরেছিলেন কলোমিস্ট ফ্রান্স পাইকারি লুটপাটের জন্যেই মালিতে স্থায়ী খুটি গাড়ছে।

এই লড়াই লড়াই খেলা মূলত ফ্রান্সের অনেক পুরানো একটা খেলা। আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদ এই খেলাতেই ফ্রান্স আমেরিকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে বছরের পর বছর।

তাহলে এখন প্রশ্ন, মালির ক্যু-র পেছনে কোন দেশের হাত থাকতে পারে? এই অভ্যুত্থানের ভবিষ্যই বা কী?

তিন.
মালিতে সেনা অভ্যুত্থানের মূল তিন অফিসারের মধ্যে দুইজনই রাশিয়ায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসেছিল মাস কয়েক আগে। এই সেনা অফিসাররা সম্ভবত ফ্রান্স প্রভাবিত না। ফ্রান্সের শোসন আর লুটপাটের বিরোধী। এজন্যই জনগণের সাথে মিলে ফ্রান্সের আজ্ঞাবাহী প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

 

army-mali-coup

 

মাসখানেক আগে জার্মান গোয়েন্দারা রাশিয়ার গোয়েন্দাদের একটা রিপোর্ট উদ্ধার করে। এই রিপোর্টে রাশিয়ার আফ্রিকান পলেসি ও মিলিটারি এক্টিভি সম্পর্কে উল্লেখ্য ছিল— আফ্রিকা পুতিনের টপ প্রায়োরিটি, এবং রাশিয়া আফ্রিকার ৬টা দেশে সামরিক ঘাটি করতে যাচ্ছে। এর-মধ্যে মালিও আছে।

কিন্তু মালিতে ফ্রান্স ও এরপরে আমেরিকান প্রভাব সবচেয়ে বেশি। এই দুই ন্যাটোর সদস্য অবশ্যই রাশিয়াকে আফ্রিকাকে মিলিটারি ঘাটি গাড়তে দিবে না। তাই রাশিয়া গোপন এক্টিভি নিতেই পারে।এজন্য ১৮ আগস্ট মালির ক্যু তে রাশিয়ার ইনভ্লবমেন্ট থাকার সম্ভাবনা আছে। মালির সেনাবাহিনী ও জনগণ প্রেসিডন্ট ও ফ্রান্সের উপর ক্ষিপ্ত, এটাই রাশিয়া কাজে লাগিয়েছে।

তুরস্ক ২০০৫ সালেই তার আফ্রিকা স্ট্রেটেজি সেট করে। আফ্রিকায় ব্যাপক ইনভেস্টমেন্ট করবে এবং পাশাপাশি নিজেদের গোয়েন্দা ও সামরিক এক্টিভি বাড়াবে। ২০০৫ সালে আফ্রিকা মহাদেশে তুরস্কের ১২ টা এম্বাসি ছিল। ২০১২ সালেই সেই সংখ্যা ৪২ এ নিয়ে যায়। তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা MIT আফ্রিকাতে এখন অনেক এক্টিভ। কেমন এক্টিভ সোমালিয়াতে আল শাবাবের হাতে আটক ইটালিয়ান নারী সাংবাদিক মুক্ত করা ঘটনায় কিছুটা আচ করা যায়। এছাড়া তিউনিসিয়াতেও আমির‍্যাটসের ক্যু ও স্যাবোটাজও ঠেকিয়ে দিয়েছে MIT. তবে তুরস্ক মালির ক্যু-তে ব্যাপক মাত্রায় ইনভ্লবড হয়নি। রাশিয়াকে হেল্প করেছে হয়তো।

কিংবা হতে পারে এই ক্যু ফ্রান্সের শোষণ ও তার কলোনিজম এটিটিউডের প্রতি মালির জনগণ ও সেনাবাহিনীর একটা চপেটাঘাত। এতে বাইরের দেশের কোন ইনভ্লবমেন্ট নেই।

মালির সেনাদের গঠিক ট্রানজেকশন গভমেন্ট ৩ বছর সময় চেয়েছে নির্বাচন দেওয়ার জন্যে। এই সময়ে তারা সন্ত্রাস দমন করবে, প্রশাসনে সংস্কার করবে। ৩ বছর সময় চাওয়াটা অবশ্য, তারা আদৌ নির্বাচন দিবে কি-না, এ নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। তবে দেশ ও আন্তর্জাতিক চাপে সেনা শাসন বেশি দিন টিকে রাখা সম্ভব না।

আশা করি মালির জনগণ একজন যোগ্য ও সৎ নেতা পাবে, যে সকল সাম্রাজ্যবাদী দেশ থেকে মালির জনগণের সম্পদ হেফাজত কররে। মালির এই শোসিত, নির্যাতিত জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিবে এবং জীবনের মান বাড়াবে।

 


 

প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

দিন রাত্রি’তে বিজ্ঞাপন দিন

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews