1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  15. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  16. michaovdm8@mail.com : latmar :
  17. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  18. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  19. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  20. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  21. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  22. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  23. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  24. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  25. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  26. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  27. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  28. karleengjkla@mail.com : weibad :
  29. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
তুর্কী রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাস: যে দেশটির অস্তিত্ব স্বীকার করে না কেউ
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

তুর্কী রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাস: যে দেশটির অস্তিত্ব স্বীকার করে না কেউ

তাহমিদুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১৫৯২ বার পড়া হয়েছে
Turkish-Republic-of-Northern-Cyprus

১৯৬৩ সাল। ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের একেবারে পেটের ভেতরে চির-সজীব দ্বীপ সাইপ্রাসে শতাধিক গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়। গুলি খেয়ে মরে যাওয়া, আগুনে পুড়ে যাওয়া স্বজনদের লাশ এবং নিজেদের ঘরবাড়ি ফেলে তুরস্কের মেইনল্যান্ডে পালিয়ে আসে হাজারে হাজারে তুর্কী।

যে ভূমি ছেড়ে তারা পালিয়ে যাচ্ছে, সেই ভূমিতে তারা পুর্বপুরুষ থেকে বসবাস করে আসছে অর্ধ হাজার বছরেরও বেশী সময় ধরে। তুরস্ক যাদের আশ্রয় দিচ্ছে তারা জাতিগতভাবে তুর্কীদের কাছাকাছি, ধর্মে মুসলমান, অল্প কিছু খ্রিস্টান এবং ইহুদী। তুরস্ক থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে এই দ্বীপ।

 

Turkish-Republic-of-Northern-Cyprus-map

লাল বৃত্তে সাইপ্রাসের অবস্থান;

তাদের উপর যারা হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে তারাও একই দ্বীপের বাসিন্দাদের একটা গ্রুপ। জাতিগতভাবে গ্রীকদের কাছাকাছি, ধর্মে অর্থোডক্স খ্রিস্টান। সাংগঠনিক নাম EOKA, ক্যাম্পেইনের নাম ENOSiS, যারা ১২শ কিলোমিটার দূরের দেশ গ্রীসের সাথে এক হয়ে যেতে চায়। তাদের সহায়তা করছে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশী দূরের দেশ গ্রীস থেকে আসা সেনাবাহিনীর ২০ হাজার সদস্য।

১৯৬৪ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠায়, গ্রীসও তার সৈন্য পাঠাতে থাকে। কিন্তু পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয় না। ১৯৭৫ পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশী মানুষ তাদের জন্মভূমি ছেড়ে তুরস্কে পাড়ি দিয়েছে। ধ্বংস করে একেবারে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে একশ তিনটি গ্রাম।

কীভাবে এই সমস্যার শুরু?

আমরা একটু পেছনে অর্থাৎ প্রায় ৫শ বছর আগে ফিরে যাই। ১৫৭১ সালে ওসমানী সুলতান সুলেইমানের ছেলে সুলতান দ্বিতীয় সেলিম তুরস্কের পাশের এই দ্বীপটিকে অটোমানদের অধীনে নিয়ে আসেন। এর আগেও কিছু কিছু তুর্কী সেখানে বাস করতো, তবে সেটা ছিল খুবই অল্প।

তুর্কীরা সাইপ্রাস জয়ের পর ব্যবসা বানিজ্যসহ নানাভাবে তুর্কীরা দলে দলে সাইপ্রাসে আসতে থাকে। এরপর পুরো গ্রীস তুর্কীদের অধীনে চলে এলে একই দেশের নাগরিক হিসেবে গ্রীক, আর্মেনিয়ান, বুলগেরিয়ানরা দলে দলে সাইপ্রাসে বসতি গড়ে তুলে।

এভাবে ১৮৭৮ সাল পর্যন্ত এই দ্বীপ সরাসরি তুরস্কের অধীনে ছিল। এই সময়ে এসে তুরস্কের ওসমানী খেলাফত আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসছে। ইউরোপে তাদের টেরিটোরি হারাতে শুরু করেছে, সাম্রাজ্যের আয়তন ছোট হয়ে আসছে। গ্রীস ততদিনে তাদের হাত ছাড়া হয়ে গেছে। ৩শ বছর তাদের অধীনে থাকার পর তারা স্বাধীন হয়ে গেছে।

গ্রেট ব্রিটেন তখন পূর্ণ শক্তিতে এগোচ্ছে। অন্যদিকে রাশিয়া অটোমানদের জন্য বিশাল হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। নিস্তেজ হতে থাকা অটোমানরদের দিকে তখন ব্রিটিশরা বন্ধুত্বে প্রস্তাব দেয়। অটোমানদের অন্যতম বড় ভুল হিসেবে তারা ব্রিটিশদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সমঝোতায় আসে। চুক্তির অংশ হিসেবে সাইপ্রাসের প্রশাসনিক দায়িত্ব বৃটিশদের দেয়া হয়। অর্থাৎ সাইপ্রাসের মালিক থাকবে অটোমানরা, শাসন করবে বৃটিশরা। গোপনে চুক্তি সাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটিশরা সাইপ্রাসের শাসন ক্ষমতা পাবার বিনিময়ে অটোমানদেরকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করবে। প্রথম ব্রিটিশ প্রশাসক হিসেবে আসে লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্যার গারনেট উল্সলি।

খুব শীগ্রই ব্রিটেন তাদের আসল রূপ দেখিয়ে দেয়। তারা গোপনে আরবদেরকে খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে অস্ত্র, ট্রেনিং দিয়ে সর্বাত্মক সহায়তা করে। ১৯১৪ সালে সাইপ্রাস কনভেনশন ভঙ্গ করে অটোমানদের কাছ থেকে সাইপ্রাস দখল করে নেয়। ব্রিটিশ শাসনের ফলে গ্রীক সাইপ্রিয়টরা খুব খুশি হয়ে উঠে। তারা ধরে নেয় ব্রিটেন তাদেরকে গ্রীসের সাথে মিলিত হতে সহায়তা করবে, যেমনটা করেছে অন্যান্য দ্বীপ গুলোকে। সাইপ্রাসে তুরস্কের পতাকা নামিয়ে ব্রিটিশদের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

দুই বছর পর। ১৯১৬ সালের ২৯ এপ্রিল। বর্তমান ইরাক যা তখনো পর্যন্ত তুরস্কের সীমানা ছিল সেখানে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী সাথে উসমানী সেনাবাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধে ব্রিটিশদের লজ্জাজনক পরাজয় ঘটে। তুর্কীদের হাতে ১৩,৩০৯ জন ব্রিটিশ সৈন্য বন্দী হয়, যার মধ্যে রয়েছে ৬ জন জেনারেল এবং ৪৭৬ জন অফিসার।

এটাই অটোমানদের কাছে ব্রিটিশদের শেষ পরাজয়। এরপর গ্রীক এবং ব্রিটিশদের সম্মিলিত আক্রমণ, সেনাবাহিনীর সেক্যুলার অংশ নিয়ে গঠিত ইয়াং টার্ক বা তরুণ তুর্কী এবং দেশের ভেতরের আরব বিদ্রোহ সব একসাথে সামাল দিতে না পেরে ওসমানী খেলাফতের সমাপ্তি ঘটে। নিজ সীমান্তে গ্রীকদের ঠেকিয়ে দেয়া মোস্তফা কামাল পাশা রাতারাতি বীর হয়ে উঠেন। তারপর সুইজারল্যান্ডের লুজানে ব্রিটিশ এবং গ্রীকদের সাথে এক চুক্তি সাক্ষর করেন, যেটা ট্রিটি অব লুজান বা লুজান চুক্তি নামে পরিচিত।

এই চুক্তি তুরস্কের ইতিহাসে খুব লজ্জাজনক চুক্তি। এর ফলে তুরস্ক বসফরাসের নিয়ন্ত্রণ হারায়, তেল-গ্যাস উত্তোলনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়, বর্তমান সিরিয়া, আরব আমিরাত, ফিলিস্তিন, সৌদি আরব, মিশর, ইরাক সহ সমগ্র অঞ্চল ছেড়ে দেয়। তুরস্কের প্রায় সব গুলো দ্বীপ গ্রীসকে দিয়ে দেয়া হয়৷ এমনকি তুরস্ক থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরের মালিকানাও গ্রীসের হয়ে যায়, যেটা গ্রীস থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে। এভাবে গ্রীস ছয় হাজার দ্বীপের মালিকানার রাষ্ট্র হয়ে উঠে। আনাতোলিয়া এবং তার আশেপাশের কিছু অঞ্চল নিয়ে বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।

এই লুজান চুক্তি অনুযায়ী সাইপ্রাসের মালিকানা লাভ করে ব্রিটিশরা, তুরস্ক এর দাবী ছেড়ে দেয়। অটোমানদেরকে পরাজিত করতে সাহায্য করা আরবদেরকে তাদের ভূমির রাজত্ব বুঝিয়ে দিয়ে বৃটেন তাদের এই অঞ্চলের হেডকোয়ার্টার কায়রো থেকে সরিয়ে সাইপ্রাসে নিয়ে আসে।

১৯৫০ এর দিকে এসে সাইপ্রাস অর্থোডক্স চার্চের আর্চবিশপ মাকারিওস গ্রীসের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য এনোসিস (গ্রীসের সাথে অন্তর্ভুক্তিকরণ) ক্যাম্পেইন শুরু করে। তার সাথে যুক্ত হয় এথেন্স থেকে গ্রীক সাইপ্রিয়ট কর্ণেল জর্জ গ্রিভাস, যে ন্যাশনাল অর্গনাইজেশন অব সাইপ্রিয়ট ফাইটার (ইওকা) এর প্রধান। ইওকা একটি আন্ডারগ্রাউন্ড সশস্ত্র সংগঠন, যাদেরকে তুরস্ক টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন হিসেবে রেকগনাইজ করে।

খুব দ্রুতই ইনোসিস ক্যাম্পেইন রক্তক্ষয়ী হয়ে উঠে। তারা নিজেদের দলভুক্ত এবং তাদের পরিবার ব্যতিত সবার উপরেই আক্রমণ করতে থাকে। এ সময় ইওকার আক্রমণের শিকার হয়ে মারা যায় অসংখ্য তুর্কী সাইপ্রিয়ট। ৩৮৭ জন ব্রিটিশ সার্ভিসম্যান নিহত হয় ইওকার হাতে। (তথ্যসূত্র: UK Casualties of war archive 2011, British personnel killed by Greek cypriot EOKA)

তুর্কী সাইপ্রিয়টরা ইনোসিসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। ইউকে, ইউএন এবং তুরস্ক ফেভারে না থাকায় গ্রীস বুঝতে পারে ইনোসিস সম্ভব না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ক্লান্ত বৃটেন তার সব কলোনি ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় সাইপ্রাস সমস্যারও কোনো সমাধান না করে চলে যায়।

ইওকার সহিংসতার মাত্রা বাড়তে থাকলে তুর্কী সাইপ্রিয়টরা গ্রাম ছেড়ে পালাতে থাকে। এই সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাড়তে থাকলে জাতিসংঘ সবপক্ষকে ডেকে আলোচনায় বসে। অবশেষে ১৯৫৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।

বৃটেন, তুরস্ক, গ্রীস, তুর্কী সাইপ্রিয়ট এবং গ্রীক সাইপ্রিয়ট এই চুক্তিতে একমত হয় যে, সাইপ্রাস একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। ১৯৬০ সালে এর সংবিধান রচিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী চার বছর গ্রীক সাইপ্রিয়ট থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবে, তুর্কী সাইপ্রিয়ট থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হবে। এভাবে পরের বছর হবে উল্টোটা। নিয়ম অনুযায়ী আর্চবিশপ মাকারিও প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট হয় ফাযিল কুচুক। যাত্রা শুরু হয় রিপাবলিক অব সাইপ্রাসের। তুরস্ক এবং গ্রীস গ্যারান্টর স্টেট হিসেবে থাকে।

কিন্তু গ্রীক সাইপ্রিয়টদের ক্ষমতা শেষ হওয়ার আগে আগেই গ্রীক সাইপ্রিয়টদের সশস্ত্র গ্রুপ ইওকা নানা জায়গায় হামলা শুরু করে। তুর্কী সাইপ্রিয়টদের উপর সশস্ত্র হামলা, হত্যা, বাড়ী ঘর পুড়িয়ে দেয়া শুরু হয়। গ্রীস তাদের সমর্থনে ট্রুপস পাঠাতে থাকে। দ্বিজাতিতাত্ত্বিক দেশটির পরিসমাপ্তি ঘটে। তুর্কী সাইপ্রিয়টরা নিজেদের জায়গায় আলাদা প্রশাসন গঠন করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ জুলাই এক সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইওকা ক্ষমতা দখল করে নেয়। প্রো ইনোসিস নেতা নিকোস স্যাম্পসন ক্ষমতায় বসে। এবং তারা তুর্কী সাইপ্রিয়টদের এলাকাসহ পুরো দ্বীপের উপর ঘোষণা করে একক কর্তৃত্ত্ব। এতে তুর্কী সাইপ্রিয়টদের জীবন আরো হুমকির মুখে পড়ে যায়। তুরস্ক ব্রিটেনকে পদক্ষেপ নিতে বললে তারা তুরস্কের প্রস্তাব রিজেক্ট করে দেয়।

এদিকে হত্যা, হামলা, পলায়ন চলতে থাকে। ঠিক ৫ দিন পর ২০ জুলাই তুরস্ক গ্যারান্টর স্টেট হিসেবে এই সমস্যা নিজের হাতে তুলে নেয়। ৪০ হাজার তুর্কী সেনা সাইপ্রাসে প্রবেশ করে। থামিয়ে দেয় গ্রীক সাইপ্রিয়টদের। জাতিসংঘ তখনই উভয়পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহবান জানায়। সেই বছরের অক্টোবরে তুর্কী সাইপ্রিয়টরা উত্তর সাইপ্রাসকে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে।

জাতিসংঘ, ব্রিটেন, গ্রীস এবং তুরস্কের মধ্যে অসংখ্যা বৈঠকে শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর পর ১৯৮৩ সালের ২৫ নভেম্বর তুর্কী সাইপ্রিয়টরা নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। যাত্রা শুরু হয় টার্কিশ রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাসের। স্বাভাবিকভাবেই গ্রীক সাইপ্রিয়টরা এতে প্রবল আপত্তি জানিয়ে পুরো দ্বীপের উপর তাদের একক মালিকানা দাবী করে। গ্রীস এবং ব্রিটেন তাদের পক্ষ নেয়।

টার্কিশ রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাসকে স্বীকৃতি দেয় তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, গাম্বিয়া এবং আজারবাইজান।

 

Turkish-Republic-of-Northern-Cyprus

Image Source: cntraveler.com

 

২০০৪ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান তার আনান কমিশনের শান্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাইপ্রাসে গণভোটেত আয়োজন করার প্রস্তাব দেয়। তুর্কী সাইপ্রিয়টরা এই প্রস্তাব মেনে নিলেও গ্রীক সাইপ্রিয়টরা এই প্রস্তাব রিজেক্ট করে দেয়। যার ফলে আর গণভোট হয়নি। আনান কমিশনের প্ল্যান ভেস্তে যায়।

এর মধ্যে ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ইউরোপের সব দেশ গ্রীক সাইপ্রিয়টদের রিপাবলিক অব সাইপ্রাসকে তাদের স্বীকৃতি দেয়। ১ মে, ২০০৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। এদিকে আমেরিকার প্রেশারে বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নর্দার্ন সাইপ্রাসের প্রতি তাদের স্বীকৃতি তুলে নেয়। বর্তমানে শুধুমাত্র তুরস্কের স্বীকৃতি আছে তাদের। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা সাড়ে তিন লাখ।

 

শুধুমাত্র তুরস্কের স্বীকৃতি থাকলেও তাদের জীবন মান বেশ উন্নত। মাথা পিছু আয় পনের হাজার ডলার। যদিও অপরপাশের সাইপ্রাসের সাথে এটার পার্থক্য অনেক। তুরস্ক থেকে ফেরী যুগে বা সাইপ্রাস থেকে হেঁটেই সীমান্ত পার হয়ে যাওয়া সুন্দর এই দেশটিতে। অসম্ভব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, প্রাচীন দূর্গ এবং স্থাপনা এবং থাকা খাওয়ার খরচ খুব কম হওয়ায় ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে দেশটি। যদিও দেশটি অস্তিত্ব কোথাও স্বীকার করা হয় না।

 


 

প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews