1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  15. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  16. michaovdm8@mail.com : latmar :
  17. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  18. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  19. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  20. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  21. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  22. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  23. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  24. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  25. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  26. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  27. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  28. karleengjkla@mail.com : weibad :
  29. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
চেঙ্গিস খানের আগ্রাসন ও খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের পতন
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:১৫ অপরাহ্ন

চেঙ্গিস খানের আগ্রাসন ও খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের পতন

সাদিক হাসান
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৫০ বার পড়া হয়েছে

আগের পর্ব: মঙ্গোল আক্রমণের প্রাক্কালে মুসলিম সাম্রাজ্যের অবস্থা

যেহেতু খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের ভিতর দিয়েই সিল্করোড ইউরোপ পর্যন্ত গিয়েছে, তাই এ রোডের সুবিধা রক্ষার জন্য হলেও খাওয়ারিজমের শাহের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখা দরকার। তাই বিভিন্ন সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। গত পর্বেই বলেছি অর্থনৈতিক ও চেঙ্গিসের সামরিক নীতির জন্যে হলেও মুসলিম সাম্রাজ্য বড্ড প্রয়োজন, আর পিছন থেকে ইহুদি ও ক্রসেডারদের অপতৎপরতা ছিলই। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে চেঙ্গিস খান সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুসলিম সাম্রাজ্যে হামলা চালাবে। কিন্তু চুক্তিগুলোই করেছে সর্বনাশ। এমন কিছু দরকার যে কারণে চুক্তিগুলো ছিড়ে ফেলা যায়।

অপরদিকে সুন্নিপন্থি তুর্কি শাসক হওয়ার পরও শাহ মুহাম্মদের শিয়া ঘেঁষা স্বভাব অপরাপর মুসলিম দুনিয়া থেকে একরকম আলাদাই করে রেখেছিল। রাজ্যের ইহুদীরা হলো চেঙ্গিসের চর, আর শিয়া দরবারীরা হয়ে উঠল চাটুকার। এভাবেই একদিন শির দরিয়ার নিকটবর্তী শহর অতরায় কয়েকজন মঙ্গল ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হল গোয়েন্দাগিরীর অভিযোগে। অভিযোগ মিথ্যে না থাকলেও এই ব্যাবসায়ীদের ছাড়িয়ে নিতে চেঙ্গিস খান কয়েকজন দূত পাঠাল। দূতেরা শুধু মুক্তিই দাবী করেনি, সেই সাথে গভর্ণরকে চেঙ্গিসের আনুগত্য গ্রহণের আহবান জানালে সে সকল ব্যবসায়ীকে হত্যা করে এবং অনেক ঐতিহাসিক বলেছেন একজন দূতকেও হত্যা করা হয়। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন মুসলিম সাম্রাজ্যে ঘাপটি মেরে থাকা চেঙ্গিসের চরদের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছিল, যেন এমন কিছু ঘটলে চেঙ্গিস চুক্তিগুলো ছিন্ন করার সুযোগ পেয়ে আক্রমণ করতে পারে।

অবশেষে সে সুযোগ আসলো, মঙ্গল নাগরিক হত্যা ও দূত হত্যার মত গুরুতর অভিযোগ আনা হলো, যেমনটা বর্তমান সন্ত্রাসের গডফাদাররা করে থাকেন। সর্বশেষ সংযোজন খাশোগি। নিজে বহু দূত ও মানুষ হত্যার পরও খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলো সে আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার লঙ্গন করেছে, তাই এবার তাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে। এ ঘটনার পর শাহ বুঝতে পারছিলেন মঙ্গল ঝড় অত্যাসন্ন কিন্তু চারদিকে নিজের লোকেরাই যখন শত্রু পক্ষ (যারা আর্তুরুল সিরিজ দেখেছেন তারা আরও ভাল বুঝবেন)। নিজ গোয়েন্দা বাহিনী আর নিজের নেই, সেই সাথে রয়েছে একদল উত্তম চাটুকার সেখানে শাহের নিজের ভুলগুলোর সাথে এই মিশ্রণে এক দারুন পতন পথ্য যেন আবিস্কৃত হল।

রাজ্য বিস্তার ও শিয়া সুন্নির দ্বন্দে এমনিতেই কিছুটা একঘরে ছিল ফলে মঙ্গল আক্রমণে অন্যান্য মুসলিম সাম্রাজ্য এগিয়ে আসবে সে আশা বৃথা। গতপর্বে বলেছিলাম আলেমদের অভাব ছিল না, কিন্তু জিহাদী যজবা বাদ দিয়ে কিতাবের পাতায় ইসলাম যে বড্ড অসহায় তা যেন হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া গেল। আগত ঝড় মোকাবেলায় মুসলিম সাম্রাজ্যে বিশাল জনসংখ্যা থাকলেও একটি কার্যকর বাহিনী ঘটনের কোন উপায় ছিল না। একদিকে ছিল পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া বিশাল মঙ্গল বাহিনী অপর পক্ষে অপ্রস্তুত মুসলিম বাহিনী। প্রতিটি জনপদে হাজারো আলেম ও যুবক থাকা স্বত্বেও একটি কার্যকর সেনাবাহিনী গঠন করতে না পারার বেদনা এখনো আমাদের পীড়া দেয়।

যাইহোক, সামগ্রিকভাবেই চিন্তা করলে শাহেরও কিছু ভুল ছিল। দরবারিদের পরামর্শ ছিল দক্ষিণে আছে তিয়েন শান পাহাড় এ পাড়ি দিয়ে মঙ্গলরা আক্রমণ করবে না। পূর্বে রয়েছে শির দরিয়া, এমন খরস্রোতা নদী পারি দিয়ে কি ঐ যাযাবর মঙ্গলরা আক্রমণ করতে পারবে? আর উত্তরে রয়েছে কাজিলকুম মরুভূমি যা পারি দেয়া অসম্ভব। আগেই বলেছি দেশে ও দরবারে চেঙ্গিসের লোকের অভাব ছিল না। শাহ নিশ্চিন্তে তাদের পরামর্শ মোতাবেক সামারকান্দের প্রতিরক্ষা সুদৃঢ় করলেন। কিন্তু শির দরিয়ার অপর পার্শ্বে আত্রেতে মাত্র ২০,০০০ সেনা যে কিছুই করতে পারবে না এও যেন শাহের মাথা থেকে তেলবাজরা দূরে সরিয়ে দিয়েছে। আর তিয়েন শানের পাহাড় সুরক্ষা দিচ্ছে বলে ফারগানাকে একেবারেই অরক্ষিত রেখে দেয়া হল। আর শাহের সকল গোপন তৎপরতা চেঙ্গিসের কাছে পৌছে দেয়ার কাজটা সেরেছে দরবার থেকে শিয়ারা তাদের থেকে সিল্ক রোডে যাতায়াত করা ইহুদি বণিকরা।

 

কিজিলকুম মরুভূমি অঞ্চল; Image Source: en.wikipedia.org

কিজিলকুম মরুভূমি অঞ্চল; Image Source: en.wikipedia.org

 

এদিকে চূড়ান্ত আক্রমণ হানতে চেঙ্গিস খান বাহিনীকে মূল তিনটি ভাগে ভাগ করলো। প্রতি নায়ান তথা জেনারেলের অধীনে সম্ববত ২০,০০০ সেনা সাজিয়ে নিলো, সেই সাথে মুসলিমদের আধুনিক দূর্গ ভাঙ্গতে চীনের সেরা ইঞ্জিনিয়ার। আপন বড় ছেলে জসি ও নায়ান জেবেকে আক্রমণ করতে বলল তিয়েন শানের উপর নির্ভর করে থাকা ফারগানা আক্রমণ করতে। তবে তা জেন চূড়ান্ত আক্রমণ না হয়। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হবে, ঠিক তেমনি অন্যবাহিনীগুলো পজিশন নিতে পারবে এবং মুসলিম বাহিনী গোলক ধাঁধায় পরে যাবে।

জসি ও জেবে ফারগানা আক্রমণ করলে শাহ সত্যিই অবাক হয়, এ পথে কেউ আক্রমণ করতে পারবে না এমনকি মঙ্গলরা এ পথে আসবে না জেনেই তো সেনা সাজিয়েছে। হঠাত আক্রমণের ঘোর কাটার আগেই রাজ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গুপচররা ছড়িয়ে দিল সমগ্র মঙ্গল বাহিনী একযুগে হামলা চালিয়েছে। ফলে শাহ ছেলে জালালুদ্দিনের নেতৃত্বে মঙ্গলদের প্রতিহত করতে সেরা বাহিনীই পাঠিয়ে দিল। জালাউদ্দিন ফারগানায় আসতেই জসি পিছিয়ে গিয়ে তিয়েনশানের অপর পারে অবস্থান নিল। দুই পক্ষের মাঝে রইল পাহাড়। সবাই যখন ফারগানা নিয়ে ব্যাস্ত তখন চেঙ্গিস খানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সন্তান চাগতাই ও ওগেদাই জুংগারিয়ান গেইট হয়ে অর্তেতে হামলা করে। শাহ এবার পরেছে উভয় সংকটে। রাজ্যের সেরা বাহিনী ফারগানায়, রিজার্ভসহ অপর বাহিনী নিয়ে রাজধানী ছাড়াও মুশকিল। এদিকে দরবারীরা প্রতিনীয়তই তাকে বুঝাতে লাগল অর্তে গেলে যাক, রাজধানী তো বাঁচাতে হবে, তাই তার রাজধানী ছেড়ে কোথাও যাওয়া উচিৎ না।

এ ভাবনা পালটা ভাবনার মাঝেই কেটে গেল পাঁচ মাস, আগেই বলেছি কিতাব দিয়ে ঈমান রক্ষা করা গেলেও ইসলাম রক্ষা করা যায় না। হঠাত আবেগে যুদ্ধে যাওয়া যায় কিন্তু জয় পাওয়া যায় না। তাই আরামপ্রিয় মানুষগুলো জীবন দিয়ে শহীদ হওয়ার চাইতে মঙ্গলদের উপর আস্থা রাখতেই বেশী পছন্দ করলো। অনেক আলেম শেষ মুহূর্তে তরবারী উঠালেও আগেই বলেছি যুদ্ধ আবেগ নয় অনুশীলনের চূড়ান্ত প্রকাশ। অবশেষে আর্তে মঙ্গল ধ্বংসযজ্ঞের নিরব সাক্ষী হয়ে গেল। এইবার শাহ আর কারও কথাই শুনলেন না। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তার চতুর্পার্শ্বেই মঙ্গল চরে ভরে গেছে। মঙ্গল বাহিনীকে শির দরিয়া পার হতে দেওয়া মানেই ধ্বংসের ষোল কলা পূর্ণ করা। এবার তিনি শির দরিয়া ঘেঁষে মুসলিম প্রতিরক্ষা গড়ে তুললেন। আর্তে দখল করে ওগেদাই ও চাগতাই শির দরিয়া পার হতে চেয়েও আর পারলো না।

এদিকে চেঙ্গিস খানের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শাহ যখন শির দরিয়ার প্রতিরক্ষা নিয়ে ব্যস্ত তখন চেঙ্গিস খান সিল্ক রোড থেকে প্রায় ৩০০ মাইল দূর দিয়ে প্রায় ৬২০ মাইল ঘুরতি পথে কাজিলকুম মরুভূমি পারি দিয়ে শাহের পিছনে উপস্থিত হল। শাহের আর কিছুই করার রইল না। চেঙ্গিস খান ইচ্ছা করলেই পিছন থেকে শাহের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারত কিন্তু তা করল না। কারণ এ কাজ করলে জানবাজ মুজাহিদরা ঠিকই শেষ রক্তিবিন্দু দিয়ে হলেও লড়বে সেই সাথে বুখারা ও সামারকান্দ থেকেই পিছল থেকে আক্রমণ করলে চেঙ্গিস নিজেই ট্রেপে পরে যাবে। আসলে শাহ লড়েছে হাজারো অন্ধকারের বিরুদ্ধে আর চেঙ্গিস লড়েছে সুনির্দিষ্ট চালের উপর অনেকটা ক্লাইভ ও সিরাজের মত।

চেঙ্গিস আক্রমণ করলো বুখারা। বহুদিন অবরোধের পর বুখারা জ্বালিয়ে পুরিয়ে ছাড়খার করে দিলো। অনেক ঐতিহাসিক শাহকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান, কেন সে পিছন থেকে আক্রমণ করল না? অথচ তারা একবারও ভাবতে চান না শাহ যেই অবস্থানে ছিলেন, সেখান থেকে বুখারায় আক্রমণ করতে গেলেই পিছন থেকে ওগেদাই ও চাগতাই ঝাঁপিয়ে পড়বে। তিনি যদি সমরকান্দের দিকে যান, তবে তার আগেই চেঙ্গিস বুখারা থেকে হাজির থাকবে এবং পিছন থেকে পুত্রদ্বয়ের ঠিক মাঝে শাহের ইহলিলা সাঙ্গ হবে। ঐতিহাসিকরা শাহকে দলিত মথিত করলেও তৎকালীন আমলদাররা কেন যুদ্ধ না করেই বুখারার পতন ডেকে আনলেন, তা কখনই আলোচনা করেন না।

যাইহোক, বুখারার পর সমরকান্দ অবরোধ করলে শাহ তার অর্ধেক সেনা নিয়ে কয়েকবার পিছন থেকে আক্রমণ করে অবরোধ ভাঙ্গতে চাইলেও বিশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষুদ্র বাহিনী নিয়ে তেমন কুলিয়ে উঠতে পারেননি। অবশেষে সমরকন্দের চূড়ান্ত পতন হলে চেঙ্গিস শাহের উপর আক্রমণ চালায়। সবশেষে শাহ পশ্চিমে আমু দরিয়া পার হয়ে পালিয়ে যায় আর জালাউদ্দিন কাবুলে পালিয়ে আসে।

 

Khwarezmian-Empire -1190-1220

খাওয়ারিজম সম্রাজ্যের একটি মানচিত্র ১১৯০-১২২০

সমরকন্দের পর জসি, ওগেদাই ও চাগতাই অরগেন্স আক্রমণ করে। ওগেদাই ও চাগতাই বারংবার চেষ্টা করলেও শেষে জসি উত্তর দিক থেকে আক্রমণ করে কেল্লা জয় করেন। তবে এখানে দেখা দেয় নতুন সমস্যা। অন্যদের তুলনায় জসি একটু দয়ালু প্রকৃতির হওয়ায় মানুষদের তিনি কথা দিলেন শহর লুন্ঠিত হবে কিন্তু কোন ধ্বংস ও হত্যা হবে না। এ সিদ্ধান্ত চাগতায়ের ভাল লাগেনি তাই শুরু হয় ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব। চেঙ্গিস খান সব শুনে কেল্লার দায়িত্ব থেকে জসিকে অব্যাহতি দেয় এবং দায়িত্ব দেয়া হয় ওগেদাইকে। শুরু হয় মঙ্গলীয় ধ্বংসযজ্ঞ।

অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন এদিনই চেঙ্গিসের পরবর্তি উত্তরাধিকার অলিখিতভাবে নির্ধারণ হয়েই গেছে। জসি সবদিক দিয়ে যোগ্য হলেও চেঙ্গিস মনে করত জসির সরল মন মঙ্গলদের স্বপ্ন বিনির্মাণে বাঁধা। অপর দিকে ছোট ছেলে তুলুই জেনারেল কুটাকোকে সাথে নিয়ে অপরাপর মুসলিম অঞ্চল বলখে আক্রমণ চালিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ শেষে একে একে মার্ভ ও নিশাপুর জয় করে। সব দেখে শুনে ভয়ে হেরাত আত্মসমর্পণ করে। এভাবেই মাত্র কয়েক বছরের ঝড়ে সোনালী মুসলিম জনপদ একেবারে কয়লায় রূপান্তরিত হয়। হত্যা করা হয় অগণিত বনি আদমকে।

 


পরের পর্ব: খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন ও পিতা-পুত্রের করুণ পরিণতি

 

 


 

প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews