1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. camelliaubq5zu@mail.com : arnider :
  5. patsymillington@hidebox.org : bennystenhouse :
  6. steeseejep2235@inbox.ru : bobbye34t0314102 :
  7. nikitakars7j@myrambler.ru : carljac :
  8. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  9. sk.sehd.gn.l7@gmail.com : charitygrattan :
  10. clarencecremor@mvn.warboardplace.com : clarencef96 :
  11. chebotarenko.2022@mail.ru : dorastrode5 :
  12. lawanasummerall120@yahoo.com : eltonvonstieglit :
  13. tonsomotoconni401@yahoo.com : fmajeff171888 :
  14. judileta@partcafe.com : gildastirling98 :
  15. padsveva3337@bk.ru : janidqm31288238 :
  16. michaovdm8@mail.com : latmar :
  17. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  18. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  19. crawkewanombtradven749@yahoo.com : marvinv379457 :
  20. deirexerivesubt571@yahoo.com : meridithlefebvre :
  21. lecatalitocktec961@yahoo.com : normanposey6 :
  22. gracielafitzgibbon5270@hidebox.org : princelithgow52 :
  23. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  24. berrygaffney@hidebox.org : rose25e8563833 :
  25. incolanona1190@mail.ru : sibyl83l32 :
  26. pennylcdgh@mail.com : siribret :
  27. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
  28. karleengjkla@mail.com : weibad :
  29. dhhbew0zt@esiix.com : wpuser_nugeaqouzxup :
চলুন না, ফিরে আসি!
শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

চলুন না, ফিরে আসি!

আসিফ উল আলম সৈকত
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৮২ বার পড়া হয়েছে
muslim-pray-prayer-mosque

আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতামণ্ডলীদের কাছে পরামর্শ চাইলেন। কোন সিদ্ধান্তে আসার জন্য পরামর্শের প্রয়োজন। তবে তা আমাদের জন্য। সবকিছুর মালিক যিনি, তিনি পরামর্শের মোহতাজ হবেন কেন। এটা ছিল হেকমত। ছিল নিদর্শন। আমাদের প্রতি ভালবাসার সর্বশ্রেষ্ট নিদর্শন। তো আল্লাহ তায়ালা বললেন-ও আমার ফেরেশতাকুল শোন, আমি পৃথিবীতে আমার প্রতিনিধি পাঠাব। তোমাদের মতামত কী?

স্রষ্টা মতামত জানতে চাইছেন সৃষ্টির কাছে। ফেরেশতাকুলও আদেশের ভিখারি। নীরব না থেকে জানালেন মতামত। পবিত্র সত্বা। মিথ্যা বা চুগলখুরি নামক শব্দও তাদের মর্যাদার বিপরীত। বললেন যা আল্লাহ তায়ালা তাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন। অথবা, জ্বীন জাতির অবস্থা দেখে, উপলব্ধি করে যা বুঝেছিলেন। তাদের মতামত ছিল অভিযোগে ভরপুর। নিষ্পাপ ফেরেশতাকুল সেদিন বলেছিলেন, “ইয়া মাবুদ, আমরাইতো আপনার ইবাদত করছি।তাহলে কেনই বা এদের দুনিয়াতে পাঠাবেন? এরা তো দুনিয়ায় গিয়ে মারামারি, দঙ্গা-ফাসাদ করবে, রক্তপাত ঘটাবে।“ কথাতো যুক্তিতে ভরা ছিল। তবে, আল্লাহ তায়লার অন্যকিছুই ইচ্ছা ছিল। তাই, এহেন অভিযোগ শুনে আল্লাহ তায়ালা হয়ত ধমক দিয়েই বলেছিলেন, “আমি যা জানি তোমরা তা জান না।“(সুরা বাকারাহ-৩০)

আচ্ছা, ফেরেশতাগণ কি মিথ্যা কিছু বলেছিলেন? আজ আমরা কি ফাসাদ সৃষ্টি করছিনা? রক্তপাত ঘটাচ্ছিনা? সবই তো করছি। তাহলে, আল্লাহ তায়ালা আমাদের কোন দিকটার দিকে ইশারা করে আমাদের দুনিয়াতে পাঠালেন? তাও আশরাফুল মাখলুকাতের সেই মহান লকব দিয়ে। সেটা আল্লাহ এবং তাঁর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই ভাল জানেন। তবে, আমার মতে, ইঙ্গিত ছিল ভালবাসার দিকে। এখন কথা হল, ভালবাসা কী? কেবলমাত্র, সুখের নাম তো ভালবাসা না। ভালবাসার আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ আছে। সেটা হল বিচ্ছেদ, বেদনা। মিলনে ভালবাসা পূর্ণতা পায়। তবে, পূর্ণতার পূর্বে ভালবাসা বৃদ্ধির জন্য যেটা সবচেয়ে প্রয়োজন সেটা হল বিচ্ছেদ, বেদনা। এই বিচ্ছেদের বেদনার পরেই ভালবাসা বৃদ্ধি পায়। সুরা দ্বোহা-ই তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

বহুদিন হল অহি আসা বন্ধ। মুস্তাফা কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্থির। অস্থির কারণ, কথা হচ্ছেনা রবের সাথে। সেই রব যাকে সর্বোচ্চ ভালবাসেন মুস্তফা কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একে দীর্ঘ দিন অহি না আসার বেদনা। তারমধ্যে এই কষ্টের আগুনে তেল ঢালতে শুরু করে কুফফারে মাক্কা। বিচ্ছেদের দহনে পুড়তে থাকা হৃদয়ে দুনিয়ার আর কিছুই ভাল লাগছিলনা। কান্নার পরিমান বেড়ে গেল। বাড়িয়ে দিলেন ইবাদত। একটু যদি কথা হয়। যত ছিল উপায় প্রয়োগ করে ফেললেন। যত ছিল মাধ্যম যাচাই করে নিলেন। তবুও প্রেমাষ্পদ কোন কথা বলেনা। বিরহের শীর্ষে যখন মুস্তফা কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তখন আসল আল্লাহ পাক জাল্লা শানুহু থেকে ভালবাসার বাণী।

-ও মাহবুব, আপনার সেই উজ্জ্বল চেহারার কসম। আপনার সেই সুবাসিত জুলফির কসম। ঐ কাফেরদের কথায় মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছেন? কষ্ট পাবেন না প্রিয়, আপনার রবতো আপনাকে ছাড়েনি। আপনাক ভালবাসাও বন্ধ করেননি। (তাফসিরে রুহুল বায়ান)

দহনের পরিমানতো কম না। তাই আল্লাহ তায়ালাও কসম একটা বলে থামলেন না। দুইটা নিলেন। এরপর সুরার একেবারে শেষ পর্যন্ত চলেছে, মাহবুবের দহনরত হৃদয়ে মলম লাগানো। তবে, আমাদের সাধরণের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। আমাদের বিচ্ছেদের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালারই হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন-আমি ঐ সত্তার শপথ করে বলছি যার হাতে রয়েছে আমার প্রাণ— যদি তোমরা গুনাহ না করতে তবে আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তোমাদেরকে ধ্বংস করে এমন এক সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করতেন, যারা গুনাহ করে আবার ক্ষমা প্রার্থনা করে (সহিহ মুসলিম শরিফঃ ২৭৪৯)।

উক্ত হাদিসে পাকে আমাদেরকে গুনাহ করতে বলছেন, আবার মাফ চাইতে বলছেন বিষয়টা এমন না। বরং, আমাদের কোন ভুল হয়ে গেলে আমরা যেন ফিরে আসতে পারি। জীবনে ভুলতো হবেই। কারণ, আল্লাহ তায়ালা চান ভুলের মাধ্যমে যে বিচ্ছেদ তৈরি হবে, সেই বিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে আমরা তাঁর দরবারে কাকুতি মিনতি করি। ক্ষমা প্রার্থনা করি। বিচ্ছেদটা বিভিন্ন রকমের হবে। তবে, আমাদের কান্নার পরিমান, ক্ষমা চাওয়ার পরিমাণ যত বৃদ্ধি পাবে আল্লাহ তায়ালার ভালবাসাও তত অর্জিত হবে।অর্থাৎ, যতবেশি তাওবা করবো, আল্লাহ তালায়ালার ভালাবাসাও ততবেশি পাবো (সুরা বাকারাহঃ২২২)।

এজন্যই আরাফার দিন, আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই ভালবাসাপূর্ণ কাজগুলো দেখলেই ফেরেশতাদের ডাক দেন।গর্ব করে ডেকে বলেন- ও আমার ফেরেশতারা, তোমরাতো এদের সৃষ্টি করার সময় বলেছিলে, এরা কেবল ফাসাদ করবে রক্তপাত ঘটাবে। আজ দেখ, আরাফার এই দিনে আমার বান্দাদের দেখ। এরা এলমেলো চুল ও ধূলিময় অবস্থায় আমার কাছে এসেছে। জলদি যাও। গিয়ে দেখ ওরা কী চায়?(মুসলিম শরিফঃ ১৩৪৮, আত তারগিব ওয়াত তারহিবঃ ২য় খণ্ড, ১৯৫নং। হাদিসের মানঃ সহিহ।)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের এত ভালবাসেন যে, যখন আমরা ভুল পথে হাঁটছি তখনো, তিনি আমাদের তাঁর নেয়ামত থেকে বঞ্চিত করেন না। যদিও আল্লাহ তায়ালা জানেন যে, আমরা ফিরে আসবেন কিনা। তবুও তিনি আমাদের কাছে নিয়ামত বিলিয়ে দিতে থাকেন। যাতে এগুলো দেখে হলেও, এগুলোর শুকরিয়া করার জন্য হলেও আমরা নিজের প্রভুর নিকট ফিরে আসতে পারি। আর আমরা যখন ফিরে আসি, তখন আল্লাহ তায়ালা কতটুকু খুশি হন সেটা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে রসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, উটের মালিক জঙ্গলে উট হারিয়ে ফেলার পর পুনরায় ফিরে পেলে যতটা খুশি হয়, আল্লাহ সুবাহানাহু এর চাইতেও বেশি খুশি হন, বন্দা যখন আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। (বুখারি শরিফঃ৬৩০৯; মুসলিম শরিফঃ ২৭৪৭)

কেউ যখন আমাদের খুব ভালবাসে, তখন আমাদের দায়িত্ব হয়ে যায়, বদলায় তাকেও ভালবাসা। কেউ যখন আমাদের উপর কোন ইহসান করে, আমাদের দায়িত্ব হয়ে যায় তার প্রতিদান দেওয়া। কিন্তু আমরা যে, আল্লাহ রব্বুল আলামিন’র ভালবাসা এবং ইহসানের বাটখারার তলে পিষ্ট হয়ে আছি, দিন দিন হচ্ছি। সে খেয়াল কি আছে আমাদের? এই যে, বাবা-মা বেঁচে আছেন, আমরা বেঁচে আছি, কথা বলছি, দেখছি, চলছি, লিখছি, ধরছি, শ্বাস নিচ্ছি। আরে ভাই, রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র উম্মত হয়েছি এটাই তো আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের সবচেয়ে বড় নে’মত। যেই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম’র উম্মত হওয়ার জন্য নবিগণ দুআ করেছেন আমরা সেই নবির উম্মত! আমাদের কি এমন যোগ্যতা যে, আমরা রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র উম্মত হব! এটা আল্লাহ তায়ালা’র নে’মত নয়তো আর কী? তাই তো আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন কুরআনে পাকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছেন, “যদি আল্লাহ’র অনুগ্রহগুলো গণনা করো, তবে সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবেনা “( সুরা ইবরাহিঃ ৩৪) এবং সুরা আর রহমানের মধ্যে আল্লাহ রব্বুল ইজ্জত নেয়ামত দেখিয়ে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন, “আপন রবের কোন অনুগ্রহকে তোমরা অস্বীকার করবে?”

এত নি’মতের কথা ভেবে যখন আল্লাহ্ রব্বুল আলামিন’র দরবারে নিজেকে ক্ষুদ্র মনে হচ্ছে, তখন একবার বুক ভরে বলেই ফেলি, “আল্লাহামদুলিল্লাহ, ইয়া আল্লাহ আমি কখনোই অস্বীকার করতে পারবোনা আপনার নি’মতগুলোকে, না গণনা করে শেষ করতে পারব। তাই না গণনা করবো, না অস্বীকার করার দুঃসাহস দেখাবো। আমি আপনার শুকরিয়া আদায় করছি, হে আমার প্রতিপালক।“ সরকারী চাকুরীজীবী যদি সরকার থেকে প্রাপ্ত দুনিয়াবি অতিরিক্ত সুবিধার ফলে সঠিক সময়ের আগে এসে অফিসে উপস্থিত থাকতে পারে। তাহলে, সেই মহান প্রতিপালক, যাঁর নে’মতের সাগরে ডুবে মরছি, তিনি যখন, “হাইয়্যা আলাস সালাহ” বলে নিজের দিকে আহ্বান করান, তখন আমাদের কীভাবে হামাগুড়ি দিয়েই না যাওয়া উচিত ছিল। অথচ, আমরা ঘরে দিব্বি বসে থাকি। ফেইসবুক চ্যাটে, ইউটিবে ভিডিওতে বা কোন গেমসে মশগুল থাকি। তাহলে আমরা আল্লাহ তায়ালাকে কী বুঝাতে চাইছি? এখনো কী আল্লাহ্‌ তায়ালার প্রতি আমাদের শুকরিয়া আদায় করার সময় হয় নি? রমজানের মত উপযুক্ত সময়েও কি আমরা ফিরবো না? শুকরিয়া স্বরুপ কপালটা কি মেঝেতে লাগিয়ে অথবা নিজের কৃত জঘন্য সবগুনাহগুলো স্মরণ করে দু’হাত তুলে গুয়ানহের মাফ চেয়ে আত্মসমর্পণ করবো না?

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews