1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. adrienne.edmonds@banknews.online : adrienneedmonds :
  3. annette.farber@ukbanksnews.club : annettefarber :
  4. celina_marchant44@ukbanksnews.club : celinamarchant5 :
  5. mahmudCBF@gmail.com : Mahmudul Hasan : Mahmudul Hasan
  6. marti_vaughan@banknews.live : martivaughan6 :
  7. randi-blythe78@mobile-ru.info : randiblythe :
  8. harmony@bestdrones.store : velmap38871998 :
বায়োফ্লক কি? নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ গাইডলাইন
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

বায়োফ্লক কি? নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ গাইডলাইন

HN AgroFarm
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০
  • ৬৫৯ বার পড়া হয়েছে
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ

‘বায়োফ্লোক প্রযুক্তি মাছ চাষের একটি টেকসই এবং পরিবেশগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ পদ্ধতি৷ যা পানির গুনমান এবং ক্ষতিকারক রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করে৷ জলীয় খামার ব্যবস্থার জন্য মাইক্রোবায়াল প্রোটিন খাদ্য হিসেবে সরবরাহ করে। বায়োফ্লোক প্রযুক্তি মূলত বর্জ্য পুষ্টির পুর্নব্যবহারযোগ্য নীতি৷ বিশেষ করে, নাইট্রোজেন, মাইক্রোবায়াল জৈব বস্তুপুঞ্জের মধ্যে খাবারের খরচ কমাতে এবং মাছের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ‘বায়োফ্লক’ প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে। এক কথায় বলতে গেলে বায়োফ্লক হল উপকারি ব্যাকটেরিয়া, অণুজীব ও শৈবালের সমম্বয়ে তৈরি হওয়া পাতলা আবরণ, যা পানিকে ফিল্টার করে অ্যামোনিয়া নামক মাছের বিষ দূরীভূত করে।

রাস সিস্টেমের সাথে বায়োফ্লকের পার্থক্য কি:

রাস সিস্টেমে খরচ অনেক বেশি এটা হল প্রথম কথা। অনেকের পুকুর নেই, কিন্তু মাছ চাষের শখ বা ইচ্ছা আছে, তারা রাস সিস্টেমে মাছ চাষ করার কথা চিন্তা করতেই পারেন। তবে এক্ষেত্রে যাদের পর্যাপ্ত মানি আছে রাস সিস্টেম তাদের জন্য। পক্ষান্তরে বায়োফ্লকে খরচ খুবই কম, যদি রাস সিস্টেমের সাথে তুলনা করা হয়। শতকরা ৮০ ভাগ খরচ কম লাগে বায়োফ্লকে। রাম সিস্টেমে মাছের খাওয়ার অবশিস্টাংশ একটি পাইপ দিয়ে বের করে প্রথম মেকানিকেল ফিল্টারে নেয়া হয়, এরপর সেখানে থেকে বায়োফিল্টারে নিয়ে আবার চাষ ট্যাংকে আনা হয়। পক্ষান্তরে, বায়োফ্লক সিস্টেমে কোন ফিল্টারের দরকার হয়না। বায়োফ্লক সিস্টেমে বায়োফ্লক আসলে একধরণের উন্নতমানের ব্যকটেরিয়া। এটা মাছের উচ্ছিস্ট দুষিত অংশকে কনভার্ট করে প্রোটিন তৈরী করে দেয়। তবে বায়োফ্লক সিস্টেমে ১৫ দিন পর পর ১০ ভাগ পানি বের করে দিতে হয়। রাস সিস্টেমে অনেক মেশিনারীজ প্রয়োজন পড়ে, কিন্তু বায়োফ্লকে শুধুমাত্র এয়ার ব্লাউয়ার চালাতে হয়।

কেন বায়োফ্লক?

ইদানীং বায়োফ্লক নিয়ে যে এত মাতামাতি। এটার কারণ কি? কারন হল:
১) বায়োফ্লকের মূল লক্ষ্য হল অধিক ঘনত্বে ছোট এরিয়াতে মাছ চাষ করা;
২) বায়োফ্লক ব্যাপকভাবে অ্যামোনিয়া এবং হাইড্রোজেন সালফাইড মাত্রা হ্রাস করে;
৩) পানিতে ময়লা আরর্জনা গঠন হওয়া প্রতিরোধ করে;
৪) অতিরিক্ত খাবার, গাদ জাতীয় পদার্থ, এক কথায় সব ধরনের জৈব বর্জ্য ধ্বংস করে এবং পুকুরটি পরিষ্কার রাখে’
৫) ব্যাকটেরিয়াজনিক সমস্যা ও রোগ প্রতিরোধ করে;
৬) পানির রং এবং পিএইচ নিয়ন্ত্রণ করে;
৭) মাছের বেঁচে থাকার হার এবং মাছের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ায়;
৮) পানিতে গন্ধ জনিত সমস্যা কমায়;
৯) পানির গুণগত মান বজায় রাখে;
১০) অপেক্ষকৃত ভাল FCRs।

বায়োফ্লক সিস্টেমে ফ্লক তৈরী করার পদ্ধতি:

যা যা লাগবে:
পানির ট্যাংক;
১০০০ লিটার পানি;
১০ – ২০ গ্রাম প্রোবায়োটিক;
১০০-২০০ মিলি মোলাসেস;
চুন (Caco3) : ১ টেবিল চামচ (৫০ গ্রাম);
‘র’ সল্ট: ১ কেজি;
এয়ার স্টোনসহ এয়ার পাম্প বা এয়ার ব্লাওয়ার;
টিডিএস মিটার;
পিএইচ মিটার;
ডিও মিটার ;
বালতি বা বাকেট ২/৩ টা;
অ্যামোনিয়া টেস্ট কীট;
থার্মোমিটার।

প্রোবায়োটিক কি :
বায়োফ্লকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এটি। যাকে ভাল ব্যাকটেরিয়া বলা হয়। যেমন ল্যাকটোব্যাসেলিয়াস নাম ব্যাকটেরিয়া। এটা দিয়ে দুধ থেকে দই তৈরী হয়। এ ছাড়া আমাদের পাকস্থলীতে অনেক ভাল ব্যাকটেরিয়া থাকে যার সংখ্যা প্রায় ৪০০ হবে। যা আমাদের হজম কাজে সাহায্য করে। এই প্রোবায়োটিক মাছের উচ্ছিস্ট থেকে তৈরী অ্যামোনিয়া গ্যাস দূরীভূত করে। প্রোবায়োটিকের পিএইচ সাধারন: ৩.৫ থেকে ৪.৫ থাকা বাঞ্চনীয়।

probiotics, Image Source:GettyImages

মোলাসেস কি:
মোলাসেস হল চিটাগুড় বা গুড়ও বলা যায়। আবার ঝোলাগুড়ও বলা হয়। অনেকে লালিও বলে। এটা হল কার্বনের উৎস। তাই বলে কয়লা নেয়া যাবে না। একান্ত মোনাসেস না পেলে গুড় ব্যবহার করা যাবে।

মোলাসেস, Image Source: medicalnewstoday.com

(DO)ডিও মিটার কি:
এটা দিয়ে পানির ডিসল্ভ অক্সিজেন পরিমাপ করা হয়। পানিতে ৫-৮ মি.গ্রা/লিটার হারে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকলে মাছ কাঙ্ক্ষিত হারে বৃদ্ধি পায়। পানিতে ২.০ মি.গ্রা/লিটারের কম অক্সিজেন থাকলে রুইজাতীয় মাছ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে না। অবশ্য মাছ ভেদে অক্সিজেনের মাত্রা পৃথক হতে পারে।

DO Meter, Image Source:intl.hannainst.com

‘র’ সল্ট কি:
মানে খোলা লবন। যেটা অপরিশোধিত। সামদ্রিক লবনও বলা হয়। যেটাতে কোন আয়োডিন থাকে না।

র-সল্ট, Image Source:dainikpurbokone.net

PH পিএইচ মিটার কি:
এটা দিয়ে পানির পিএইচ পরিমাপ করা হয়। মাছ চাষের পানিতে পিএইচ এর মাত্রা ৭-৮.৫ এর মধ্যে থাকা বাঞ্চনীয়। পিএইচ মাত্রা যদি ৪.৫ এর নিচে হয় এবং ১০ এর উপরে হয় তবে সব মাছ মারা পড়বে। পিএইচ যদি ৬.৫-৮.৫ এর নিচে বা উপরে হয় তবে এক্ষেত্রে মাছ যেকোনভাবে আক্রান্ত হবে।

PH Meter, Image Source:bgb-info.com

TDS-টিডিএস মিটার কি:
TDS এর পূর্ণরূপ Total Dissolved Solid. পানিতে সাধারণত দ্রবীভূত অবস্থায় ক্যালসিয়াম , ম্যাগনেসিয়াম , পটাসিয়াম ও সোডিয়ামসহ আরো কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান থাকে যাকে টিডিএস (TDS) বলা হয় । এগুলো পরিমাপের যন্ত্রটিই হল টিডিএস মিটার। মাছ চাষের জন্য উপযুক্ত টিডিএস হল ১৮০০-২০০০মিগ্রা/লিটার এর মধ্যে। ২০০০ হল স্ট্যান্ডার্ড।

TDS Meter

অ্যামোনিয়া টেস্ট কিট কি:
এটা একধরণের তরল পানীয়। এটা দিয়ে পানিতে অ্যামোনিয়ার পরিমান পরীক্ষা করা হয়। অ্যামোনিয়া ০.৬-২.০ মিলিগ্রাম/লিটার হলে মাছের জন্য তা বিষাক্ত হয়ে থাকে। অ্যামোনিয়া ঘনত্বের সর্বোচ্চ মাত্রা হলো ০.১মিলিগ্রাম/লিটার। অ্যামোনিয়ার পরিমাণ ০.২ মিলিগ্রাম/লিটার এর কম থাকা ভালো। যদিও ০.৪ মিলিগ্রাম/লিটার গ্রহণযোগ্য। সাধারণত: ১০মিলি পানির সাথে ৮ ফোটা কিট যোগ করে পরীক্ষা করতে হয়।

Ammonia Test Kit

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ:
বায়োফ্লকের জন্য তাপমাত্রা একটা বড় ফ্যাক্টর। তাপমাত্রা ২০ এর নিচে নেমে গেলে বায়োফ্লক তৈরী হবে না। স্ট্যান্ডার্ড তাপমাত্রা হল ৩০ ডিগ্রী। তাই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বিশেষ করে শীতকালে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্যাংকের মাটি পিভিসি শিট দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। অথবা কর্কশীটও (ফোম) ব্যবহার করা যায়। আর উপরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য শেড দিতে হবে। সাইটের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্যও এই ফোম ব্যবহার করা যায়।

প্রস্তুত প্রণালী:
ট্যাংক এর প্রস্তুত প্রণালী: মুলত বায়োফ্লপে মাছ চাষ ট্যাংকেই করা হয়। আবার পুকুর খনন করে সেখানেও করা যায়। ট্যাংক দুই ভাবে তৈরী করা যায়। লোহার মেশ দিয়ে, মানে লোহার বা শক্ত তার জালি (৬মিমি) দিয়ে। অথবা সিমেন্ট দিয়ে। গোলাকৃতও হতে পারে, আবার বর্গাকৃতি বা আয়তাকৃতও হতে পারে। তবে গোলাকৃত টেকসই। গোলাকৃতি ট্যাংকে মাছের মোভমেন্ট ভাল থাকে। লোহার জালি দিয়ে বানালে চতুর্দিক পুরো এরিয়া রাবার কার্পেট বা ফ্লোর ম্যাট দিয়ে ঘেরাও করে দিতে হয়। এরপর তারপলিন দিয়ে ঘেরাও করে দিতে হবে যাতে পানি লিক না করে। আর সিমেন্ট দিয়ে বানালে তারপলিনের প্রয়োজন পড়ে না। তবে তারপলিন দিয়ে করাটা সবদিক দিয়ে ভাল। কারণ ইট এবং সিমেন্ট-এ একধরণের কেমিকেল থাকে, যা মাছের জন্য ক্ষতিকর এবং ফ্লকের জন্যও। ট্যাংকের মাঝখান বরাবর পানি একটি নিষ্কাশন পাইপ বসাতে হবে। যাতে করে সময় সময় পানি বাইরে বের করে দেয়া যায়। ট্যাংকের পরিধি থেকে সেন্টারের দিকে একটু ঢালু রাখতে হবে।

ট্যাংকের পানির হিসাব:
গোলাকার ট্যাংক হলে যেভাবে বের করবেন ট্যাংকের পরিমাপ। সূত্র: V=π〖hr〗^2 । এখানে V হল পরিমাপ মানে ভল্যুম, π হল ৩.১৪, h হল ট্যাংকের উচ্চতা আর r হল ট্যাংকের ব্যাসার্ধ। যদি ব্যাসার্ধ ২ মিটার হয়, উচ্চতা ৪ মিটার হয়, তাহলে V হবে ৫০.২৪ m3 (কিউবিক মিটার)। প্রতি কিউবিক মিটারে পানি ধরবে ১,০০০ লিটার। তার মানে এই পরিমাপের একটি ট্যাংকে পানি ধরবে প্রায় ৫০ হাজার লিটার। আর আয়তাকৃতি বা বর্গাকৃতি ট্যাংক হলে মাপ হবে; দৈর্ঘ্য x প্রশ্থ x উচ্চতা।

Image Source:constructioncivilengineering.com

পানির প্রস্তুতি:
১) ১ম দিন পানির ট্যাংক পটাশিয়াম পার্মাঙ্গানেট দিয়ে বা হবে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। যাতে খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর হয়ে যায়। পরিষ্কার করার পর ১ দিন শুকিয়ে নিতে হবে।
২) ২য় দিন অর্ধেক পরিমান পানি দিয়ে ট্যাংক পূর্ণ করতে হবে। এরপর এয়ারেশন ছাড়তে হবে। এখানে উল্লেখ্য, এয়ারেশন দিতে হবে পানির ৩ স্তরে। উপরের স্তরে, মাঝের স্তরে এবং শেষ স্তরে।
৪) ২ দিন পর মানে ৪র্থ দিন দেখতে হবে টিডিএস এবং পিএইচ। ট্যাংকের পানির টিডিএস থাকতে হবে ১৮০০-২০০০, আর পিএইচ থাকতে হবে ৭ এর উপরে। সাধারণত পানির টিডিএস থাকে ৫০০ এর মধ্যে আর পিএইচ থাকে ৬ এর নিচে।
৫) ৪র্থ দিন দুপুরে যদি পানি টিডিএস ১৮০০-২১০০ এর মধ্যে না হয়, তবে উপরে উল্লেখিত মাত্রার লবন প্রয়োগ করতে হবে। তারপরও যদি টিডিএস কাঙ্খিত পর্যায়ে না আসে তবে পরিমান মত আরো লবন প্রয়োগ করে কাঙ্খিত সীমার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। যদি কোনভাবে টিডিএস ১৮০০-২১০০ এর উপরে চলে যায় তবে নরমাল পানি মিশায়ে মাত্রা ঠিক করতে হবে।
৬) ৪র্থ দিন সন্ধ্যায় পিএইচ যদি ৬ এর নিচে থাকে তবে উপরে উল্লেখিত মাত্রার চুন মিশাতে হবে যেন পিএইচ মাত্রা ৭-৮.৫ এর মধ্যে থাকে। পিএইচ এর কাঙ্খিত মাত্রা শুধুমাত্র চুন প্রয়োগ করেই আনতে হবে। যদি পিএইচ ৮.৫ এর উপরে চলে যায়, তবে ফিটকারী অথবা তেঁতুলের রস দিয়ে কাঙ্খিত সীমার মধ্যে আনতে হবে।

মূল ফ্লক প্রস্তুতি:
প্রথমে মোলাসেস বা গুড় মিশিয়ে দিতে হবে। অল্পক্ষণ পর মিশাতে হবে প্রোবায়োটিক। এগুলো মিশাতে হবে সন্ধ্যের পর। এভাবে ৭ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত হাই এয়ারেশনসহ ফেলে রাখতে হবে।

ফ্লক পরীক্ষা করা:
৭ বা ১৫ দিন পর ট্যাংকে সাদা বা সাদাটে রংয়ের অনেকগুরো পদার্থ জমা হতে থাকে। এই পদার্থগুলো পৃথক পৃথক থাকে এবং পানি থাকবে পরিষ্কার। ট্যাংক থেকে এই সাদা পদার্থসহ কিছু পানি নিয়ে একটা কাপড় দিয়ে ছেকে পানি ফেলে দিতে হবে এবং কাপড়ের উপর জমা হওয়া পদার্থগুলো সংগ্রহ করে নিতে হবে। এখন একটা তেলাপিয়াকে এনে একটা বালতির পানির মধ্যে রেখে দিন ১ দিন। এরপর সংগৃহীত পদার্থগুলো (ফ্লক) ঐ বালতির মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। যদি তেলাফিয়া ফ্লকগুলো খেয়ে ফেলে তবে বুঝতে হবে ফ্লক তৈরী ১০০ ভাগ সফল। যদি আধাআধি খায় তবে বুঝতে হবে ফ্লক এখনো পুরো হয়নি। যদি না খায় তবে বুঝতে হবে পদার্থগুলো ফ্লক নয় অন্য কিছু। এরপরও যদি ফ্লক না আসে তবে প্রোবায়োটিক ও মোলাসেস আবারো মিশাতে হবে।

Image Source:was.org

মাছ ছাড়া:
মাছ ছাড়ার পুর্বে যা করতে হবে, তাহলে ডিসল্ভ অক্সিজেন পরীক্ষা করা, পিএইচ পরীক্ষা করা, অ্যামোনিয়া পরীক্ষা করা।

 

Source: Bangladesh Fisheries Community FB Page

 

 


প্রিয় পাঠক, ‘দিন রাত্রি’তে লিখতে পারেন আপনিও! লেখা পাঠান এই লিংকে ক্লিক করে- ‘দিনরাত্রি’তে আপনিও লিখুন

লেখাটি শেয়ার করুন 

এই বিভাগের আরো লেখা

Useful Links

Thanks

© All rights reserved 2020 By  DinRatri.net

Theme Customized BY LatestNews